জামায়াতের মিছিল থেকে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের ভবন ও গাড়ী ভাংচুর

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ০৯:৪১ অপরাহ্ণ

মিছিল থেকে জেলা পরিষদ ভবনে হামলারাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের ভবন ও গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান
জামায়াতের মিছিল থেকে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের ভবন ও গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ কোন দলীয় কার্যালয় নয়। জেলা পরিষদ একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ করছে।
তিনি বলেন, শান্তি চুক্তির বাস্তবায়নের পর থেকে এই জেলা পরিষদ পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সেই প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা নিন্দনীয় ও ন্যাক্কার জনক বলে দাবী করেছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পুলিশী প্রহার থাকলে জেলা পরিষদে ভাংচুরের ঘটনা ঘটতো না। তিনি বলেন, জেলা পরিষদ এখন পুরোপুরি অরতি রয়েছে।
জেলা পরিষদ ভবন পুলিশী প্রহরা না থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, স্থানীয় সরকার পরিষদ সৃষ্টির পর থেকে ২১ জন পুলিশ দেয়া হয়েছিলো জেলা পরিষদে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে গত ৩ মাস আগে জেলা পুলিশ সুপার ১১ জন পুলিশকে প্রত্যাহার করে নিয়ে গেছে। সেই কারণে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বর্ডিগার্ড ও বাস ভবনের পুলিশী প্রহারা থাকলেও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ অফিস ভবন সম্পূর্ণ অরতি অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। পুলিশ প্রত্যাহারের পর জেলা পুলিষ সুপারকে অনুরোধ করা হলেও তিনি তার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ভবন ভাংচুরের বিষয়ে মামলা করা হবে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, জেলা পরিষদ একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের ঘটনায় আমাদের জন্য খুবই দুঃখ জনক। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসাবে আমার দায়িত্ব রয়েছে এটি রা করা। যারা ভাংচুর করেছে তাদের ছবি কোজ সার্কিট ক্যামেরায় দেখা গেছে। আমরা একটি মামলা দায়ের করছি পুলিশ ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নিবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।