জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট , ২০১৩ সময় ১১:০৪ অপরাহ্ণ

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ এবং বাতিল ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।জামায়াত

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বৃহত্তর বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।

২০০৯ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশন থেকে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা রিটে রুলও জারি করে হাইকোর্ট। এরপর ৪ বছর আর শুনানির মুখ দেখেনি মামলাটি।

সবশেষ এ বছরের ৩ মার্চ শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসলে গত ১১ এপ্রিল থেকে ৩ বিচারপতির সমন্বয়ে বৃহত্তর বেঞ্চে রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।

শুনানিতে রিটকারীর আইনজীবী জানান, গোড়া থেকেই জামায়াতের গঠনতন্ত্র বেআইনি। পরে তা সংশোধন করা হলেও কয়েকটি অংশ এখনো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিকই রয়ে গেছে।

এতে আরো বলা হয়, গঠনতন্ত্রের ২ ধারার ৫ উপধারা, দেশের আইন প্রণয়ন, আদেশ, রাষ্ট্রপরিচালনায় সাংবিধানিক যে বিধান, সেটিকেও চ্যালেঞ্জ করে। এছাড়া আরো ৬টি ধারা সংসদের সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ও আইনসভার কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে।

শুনানিতে জামায়াতের আইনজীবী দাবি করেন, দলটির সংশোধিত গঠনতন্ত্রে অবৈধ কিছু নেই। এ ইস্যুতে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হলে আওয়ামী লীগ আর জাসদ ছাড়া অন্য সব দলের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

দুই পক্ষের শুনানি শেষে ১২ জুন মামলাটিকে রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখে হাইকোর্ট। বুধবার হাইকোর্টের কার্যতালিকার মাধ্যমে জানা যায় বৃহস্পতিবার এর রায় হতে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপত্তিকর এসব ধারা নিয়েই পরবর্তীতে দলীয় কাউন্সিলে সংশোধন করার শর্তে নিবন্ধন পায় জামায়াত। তবে এখনো সম্পূর্ণভাবে এসব বাদ দেওয়া হয়নি দলটির গঠনতন্ত্র থেকে।