জামায়াতের অপ-উত্থান রোধে যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার জরুরী-মুকুল

প্রকাশ:| শনিবার, ৯ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১০:১৫ অপরাহ্ণ

মুকুলবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত একাত্তরে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধীতা ও বাঙালি গণহত্যায় অংশ নিয়ে ক্ষান্ত হয়নি, স্বাধীনতার পর থেকে তারা তালেবানী আফগান ঘরানার জঙ্গি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টায় লিপ্ত। জামায়াতের এই অপ-উত্থান রোধে যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুততম সময়ে বিচার ও শাস্তি কার্যকর করা জরুরী।
তিনি আরো বলেন, একাত্তর পরবর্তী সময়ে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের উত্থানের মূল কারিগর বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা মেজর জেনারেল জিয়া। বর্তমান সময়ে বিএনপির কার্যক্রম প্রমাণ করে তারা জামায়াতের একটি প্রক্সি দল।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে ও জেলা নেতা আকর দে পিনাকের সঞ্চালনায় ৯ আগস্ট ’১৪ শনিবার বিকেল ৪টায় মোমিন রোডস্থ ইসলামাবাদী মেমোরিয়াল হল’এ একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে কাজী মুকুল প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সাহাবুদ্দিন, নির্মূল কমিটি জেলা নেতা মহিউদ্দিন সোহেল, সাংবাদিক আহসানুল কবির রিটন, আহমেদ কুতুব, নির্মূল কমিটি জেলা নেতা সাব্বির হোসাইন, মাউসুফ উদ্দিন মাসুম, মঈদুল ইসলাম, নিখিলেশ সরকার রাজ, অভি চৌধুরী, মিথুন নাথ রনি, অসিত বরণ বিশ্বাস, মিথুন ভট্টাচার্য, শরিফুল ইসলাম নয়ন, কামাল উদ্দিন চোহানী, রাসেল দে, নাফিজ চৌধুরী, বাবলু আচার্য শ্রাবণ, বেলাল নূরী, রিফাত-উর-রহমান, দিপু বড়–য়া, রাহাত মামুন হৃদয়, রবিন, রাসেল, শামীম, শুভ, আরমান, মতুর্জা, তন্ময়, জিকু, আকাশ, অমি চক্রবর্তী, মোহাম্মদ রুবেল, প্রসেনজিৎ দাশ, রানা হোসাইন, আবীর নয়ন, জয়, নওফেল, সায়েম, স্বপ্নিল, তাকিম, আনাস অহি, টিপু সিংহ, সঞ্জয় দত্ত, বিশাল, হিমেল, পার্থ, শুভ্র, তন্ময়, আরাফাত, লিংকন, সৌরভ, অভিজিৎ, নীবিড়, অভি পাল, প্রান্ত তালুকদার, মো. রানা, অজয় দাশ, আবু সিদ্দিক প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ১৯৯৪ সালে গোলাম আযম প্রতিরোধ আন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে অবিলম্বে সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালের ২৬ জুলাই চট্টগ্রামে জামায়াত প্রধান যুদ্ধাপরাধী নরঘাতক গোলাম আযমের জনসভা প্রতিরোধ করতে গিয়ে তৎকালীন সরকারের প্রশাসনের ছত্রছায়ায় জামায়াত শিবিরের গুলিতে গোলাম আযম প্রতিরোধ আন্দোলনের ৬ জন কর্মী শহীদ হন। ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ করে।