জাপার মেয়র প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠ

প্রকাশ:| বুধবার, ২৫ মার্চ , ২০১৫ সময় ০২:৪৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী নিয়ে ধূম্রজাল কেটেছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে দুপুরে এ বিষয়ে এরশাদ নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় পার্টি আদৌ এককভাবে সিসিসি নির্বাচনে অংশ নেবে না জোটগতভাবে ১৪ দলের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেবে তা নিয়েও সংশয় কাটছে না। তবে জাতীয় পার্টি নেতা সোলায়মান আলম শেঠ জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে লড়তেই তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। প্রতি এরশাদের সমর্থন আছে। সিঙ্গাপুর থেকে এরশাদ তার নাম ঘোষণা করেন।

এদিকে ব্যাপারে মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম বলেন, দলের চেয়ারম্যান সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তাকে সিসিসি মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন। ২৭ কিংবা ২৮ মার্চ তিনি সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরবেন। তিনি ঘোষণা দেয়ার পরই মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দেবেন। সোলায়মান আলম শেঠের মনোনয়নপত্র গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি জাতীয় পার্টির মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবেন না এবং মেয়র পদে প্রার্থী হবেন না এ শর্তে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এরপরও তিনি যদি প্রার্থী হন, তাহলে দল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবে। তবে সোলায়মান আলম শেঠ দাবি করেছেন, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এরশাদ তাকেই মেয়র পদে নির্বাচন করতে বলেছেন। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে তার (এরশাদ) সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাকেই প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তাই তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। জাতীয় পার্টি নেতা মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার বাইরে অন্য কারও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ নেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর জাতীয় পার্টির বর্তমান মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবুলকে নিয়ে কটূক্তি করেন সোলায়মান আলম শেঠ। এরপর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে বহিষ্কার করেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দীর্ঘদিন পর আবার দলে সরব হন সোলায়মান শেঠ। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বহিষ্কৃত অবস্থা থেকে দলে ফেরেন তিনি। বহিষ্কৃত অবস্থায়ও নিজেকে সিসিসি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়েছিলেন একবার। এক পর্যায়ে তিনি নীরব হয়ে যান। পরে শর্তসাপেক্ষে বহিষ্কারাদেশ তুলে নেয়ায় তিনি মেয়র নির্বাচন নিয়ে পুরোদমে মাঠে নামেন। নগরজুড়ে তার প্রার্থিতার পক্ষে পোস্টারে ছেয়ে যায়।

এদিকে সোলায়মান আলম শেঠ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও প্রার্থিতা নিয়ে মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের নামও বেশ আলোচনা হচ্ছে।