জাতির জনকশেখ মুজিবুর রহমানের নাম বাঙ্গালীর হৃদয়ে বেচেঁ থাকবে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

রাউজানে আ.লীগের সভায় ফজলে করিম এমপি

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের মানচিত্র ও লালসবুজ পতাকা যতদিন থাকবে ততদিন জাতির জনক বঙ্গব›দ্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম বাঙ্গালীর হৃদয় থেকে কেউ মুছে ফেলতে পারবেনা । জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতা সংগ্রামের ড্াক দেওয়ার পর বাঙ্গালীরা এই দেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল । দীর্ঘ নয়মাসের যুদ্বে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈনিকের সাথে যুদ্ব করে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিণিময়ে দুইলক্ষ মা বোনের সভ্রম হানির পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আর্তসর্মপন করেন । ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর একটি যুদ্ধবিধস্ত দেশকে যখন উন্নয়নের মুখে নিয়ে গিয়ে জাতির জনকের স্বপ্ন সোনার বাংলা করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, সেই সময়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির মদদদাতা বিদেশী শক্তির ইঙ্গিতে জাতীর জনক বঙ্গব›দ্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয় । এই হত্যাকান্ডের পর স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষমতা দপে দপে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ক্ষমতায় আসিন হয়ে ৭১ সালের পাকহানাদার বাহিনীর সদস্যদের যারা সহযোগিতা করে যে সব রাজাকার আলবদর স্বাধীনতার স্বপক্ষের নেতৃত্বদানকারী নেতা কর্মী ও সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে হত্যা করেন । ঐসব রাজাকার আলবদর বাহিনীর নেতাদের ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের বিণিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী করে রাজাকার আলবদরদের গাড়ীতে লাল সবুজ পতাকা উড়িয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্টিত করেন । জাতির জনকের হত্যাকারীরা মনে করেছিলো জাতির জনককে হত্যা করে দেশ আবারো স্বাধীনতা বিরোধীরা শাষন করবে । জাতির জনকের কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ থেকে এসে স্বাধীনতার নেতৃত্বদান কারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের হাল ধরেন । জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশ ব্যাপী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্টা করেন । গনতন্ত্র প্রতিষ্টার সংগ্রাম করতে গিয়ে ঢাকার রমনা বটমুলে গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টা করেন । ঐ হমালার ঘটনায় মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন আওয়ামী লীগের নেতাকে জীবন দিতে হয় । গনতন্ত্র প্রতিষ্টার সংগ্রাম করার ফলে ১৯৯৬ সাল, ২০০৯ সাল ও এবৎসরের জানুয়ায়ীতে সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতার নেতৃত্বদান কারী রাজনৈতিক দল আবারো ক্ষমতায় আসিন হয় । আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে ও দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করেছে । গতকাল ২১ আগষ্ট জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি একথা বলেন । রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজেন পরিচালনায় অনুষ্টিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন উত্তরজেলা আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ উত্তর জেলা মহিল্ াআ.লীগের সভাপতি দিলওয়ারা ইউসুপ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, উপজেলা আ.লীগের সহ সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মদ, রাউজান পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী ইকবাল, রাউজান পৌর সভার ফ্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শাহজাহান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আবসার মিয়া সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর চৌধুরী, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, সরোয়ার্দি সিকদার, আবদুল রহমান চৌধুরী, নুরুল আবছার বাশিঁ, সুকুমার বড়–য়া, আনোয়ার চৌধুরী, সাহাব উদ্দিন আরিফ, রুকন উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া, আকতার আলম ভুলু উপজেলা আ.লীগ নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর আলমগীর আলী, এডভোকেট সমীর দাশ গুপ্ত, এডভোকেট দিপক দত্ত, আবদুল্লাহ আল মামুন, মাহাবুল আলম, এসএম বাবর, প্রিয়তোষ চৌধুরী, সংঘপ্রিয় বড়–য়া, সাধন মুহুরী, দুলাল বড়–য়া, সুনিল চক্রবর্তী, প্রদীপ চৌধুরী, ইসমাইল শাহ. মোসলেম উদ্দিন, নসর উদ্দিন, নঈম উদ্দিন,বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, নুরুল আমিন, জিয়াউল হক সুমন, দোস্ত মোহাম্মদ, শোয়েব খান, জসিম উদ্দিন, গৌতম পালিত টিকলু, সাইফুল ইসলাম রানা, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা রুবিনা ইয়াসমিন রুজি , রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, দক্ষিন রাউজান ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল জব্বার সোহেল সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার সহ সম্পাদক আবদুল লতিফ, যুবলীগ মিটু চৌধুরী, নেতা সারজু মোঃ নাসের, হাসান মোঃ রাসেল, সাইফুল ইসলাম, এস এম মহিবউল্লাহ, আহসান হাবির চৌধুরী, পল্টন দে, তপন দে, মঈন উদ্দিন মোস্তাফা, নাসির উদ্দিন, শওকত হোসেন, আবু ছালেক ছাত্রলীগ নেতা সাঈফউদ্দিন সাইফ, কফিল উদ্দিন, জিল্লুর রহমান মাসুদ, ইমরান হোসেন ইমু, দিপলু দে, প্রমুখ । জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে খতমে কোরান, মিলাদ মাহফিল, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচি, বিনা মুল্যে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরন করা হয় । অনুষ্টানে দশ হাজার মানুষকে মেজবান খাওয়ার ব্যবস্থা করেন । কাঙ্গাঁলী ভোজের এলাকার অসহায় দরিদ্র এতিম মিসকিনদের খাওয়ানো হয় ।