জব্দকৃত রুপি: তদন্তের ভার সিআইডির হাতে

প্রকাশ:| বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:১২ অপরাহ্ণ

ভারতীয় রুপিচট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় রুপি আনার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত মৌখিক প্রস্তাব সিএমপির পক্ষ থেকে সিআইডির কাছে গেছে। ঈদুল আযহার ছুটির পর সিআইডি মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের সম্ভাবনা আছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় রুপি আনার মামলাটি সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের বিষয়ে একমত হন নগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, মামলাটি খুবই স্পর্শকাতর। এটি সিআইডির মাধ্যমে তদন্ত হলে ভাল হবে বলে আমরা মনে করছি। সিআইডিকে আমরা বলেছি। তারা নিজেরাই আমাদের কাছ থেকে মামলার তদন্তভার চেয়ে নিতে পারে। ঈদুল আযহার ছুটির পর সিআইডি তদন্ত শুরু করতে পারে। গৃহস্থালী পণ্য ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা একটি কন্টেইনারের চারটি কার্টনে ভারতীয় রুপি পাওয়ায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে সেটি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

সোমবার বেলা ১২টা থেকে শুরু করে রাত ৮টায় গণনা শেষ হয়। এতে ২ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ ভারতীয় রুপি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বন্দর থানায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিধান কুমার সরকার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

এতে ছয়জনকে আসামী করা হয়। তারা হলেন- দুবাই থেকে আসা চালান খালাসের দায়িত্বে থাকা সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান শামীমুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদউল্লাহ, ব্যবসায়ীক অংশিদার আহমদ উল্লাহ, কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের টি বয় মোহাম্মদ ছাবের, চালানটির মালিক শাহেদুজ্জামান ও তার ছোট ভাই তৌহিদুল আলম।

এদের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদউল্লাহ যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী মো.মোবারক হোসেন ওরফে মোবারক আলীর ছেলে। আসামিদের মধ্যে শাহেদুজ্জামান পলাতক আছেন। গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

আদালত ২৭ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন।


আরোও সংবাদ