জনবল সংকটে কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিস

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট , ২০১৬ সময় ০৮:১৫ অপরাহ্ণ

কুতুবদিয়া
লিটন কুতুবী,
কুতুবদিয়া:

জনবল সংকট আর প্রযুক্তির অভাবে নাগরিক সুবিধা দিতে পারছে না কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিস। অফিস কর্তা থেকে শুরু করে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ৩৩টি পদের মধ্যে ১৮টি পদ শুন্য রয়েছে। তন্মধ্যে স্বয়ং উপজেলা কৃষি অফিসার ,উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার,উপজেলা কৃষি সম্প্রচারন অফিসার, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ৮জন,প্রধান সহকারী-কাম হিসাব,অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর,গার্ড,অফিস সহায়ক, স্প্রে মেকানিক,পিপিএম দুইজন, পরিচ্ছন্ন কর্মীসহ ১৮টি পদ শুন্য রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশ কৃষি নির্ভরশীল দেশ হলেও কুতুবদিয়া দ্বীপের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র। কুতুবদিয়া দ্বীপের মাটি উর্বরতার কারনে আউশ, আমন, বোরা চাষের বাম্পার ফলে শুস্ক ও বর্ষা মৌসুমে। তার পাশাপাশি অগ্রিম মৌসুমী তরিতরকারি ফসলে দ্বীপের মানুষ পিছিয়ে নেই। কুতুবদিয়া দ্বীপে মৌসুমী তরিতরকারি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাজারজাত করে কৃষকরা বিপুল পরিমান অর্থ অর্জন করে থাকে। কৃষক ফয়েজুল আজিম জানান, কুতুবদিয়ায় উন্নত জাতের ফসল আর শাক-সবজির চাষাবাদে রোগের পরামর্শের জন্য কৃষি অফিসে গেলে কৃষি অফিসার না থাকায় ফসলের রোগ নির্নয়ে কৃষকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে প্রকাশ, সৃষ্ট ৩৩টি পদের মধ্যে বিভিন্ন পদবীর ১৮টি পদ শুন্য রয়েছে। কৃষি অফিসে কৃষক কার্ড থেকে শুরু করে সার,বীজ,কৃষি উপকরণসহ বিবিধ সরকারিভাবে প্রাপ্ত মালামাল কৃষকের মাঝে বিতরণকালে হিমসিম খেতে হয়। বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কুতুবদিয়া কৃষি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ নুরে আলম মনির জানান, কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলন করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে কর্মকর্তার পদ শুন্য থাকায়। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কৃষি কর্মকর্তার পদটি শুন্য রয়েছে। কৃষি অফিসে বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকায় ডিজিটাল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত সাধারণ কৃষক। বিদ্যুৎ সুবিধা না কৃষি মন্ত্রণালয়ের জরুরী খবরা খবর পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় কৃষি অফিসকে।