জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হলে সকল দায় নিয়োজিতদের উপর

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৬ মে , ২০১৭ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন,ওয়ার্ডে দায়িত্বে নিয়োজিত দলপতি, সুপারভাইজার,পরিদর্শককে ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত জনবলের কাজ সঠিকভাবে মনিটরিং করতে হবে। ওয়ার্ডের কোথাও আবর্জনা পরে থাকলে বা আবর্জনার কারনে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হলে সকল দায় দায়িত্ব ওয়ার্ডে নিয়োজিতদের উপর বর্তাবে। সেবকদের নিয়মিত হাজিরা, কাজে নিয়োজিত করা এবং তাদের মাধ্যমে শতভাগ কাজ আদায় করা ওয়ার্ডের সুপারভাইজারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। ডোর টু ডোর আবর্জনা অপসারন কার্যক্রমে শতভাগ সফলতা অর্জন করতে চাই। তিনি বলেন, আমার অঙ্গিকার শতভাগ পরিচ্ছন্ন নগরী। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে যেকোন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা ব্স্তাবায়নে আমি বদ্ধপরিকর। আপনাদের সাম্প্রতিক কাজকর্মে কিছু কিছু অভিযোগ আসছে।আমি অভিযোগ শুনতে চাই না।ইতোমধ্যে দেওয়ান বাজার,পূর্ব বাকলিয়া,শুলকবহর ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম এ অনিয়ম, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কেউ কেউ হাজিরা দিয়ে দায়িত্ব পালন না করারও অভিযোগ এসেছে। এসকল অভিযোগের প্রমাণ সাপেক্ষ তদন্ত করে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ওয়ার্ডের ডাম্পিং পয়েন্টের আবর্জনা পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষনের জন্য প্রতিটি স্টেশনে সিসি টিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আসন্ন রমজান মাস থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করব।১৬ মে ২০১৭ খ্রি. মঙ্গলবার, দুপুরে চসিক কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয় সভায় মেয়র এসব কথা বলেন। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজারদের আগামী দুইদিনের মধ্যে নিজ নিজ ওয়ার্ডে বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত জনবল (ডোর টু ডোর/নালা পরিস্কার এবং সুইপিং আলাদা আলাদা ভাবে),ব্যবহৃত ইক্যুপমেন্ট, ময়লার পরিমাণ, প্রয়োজনীয় গাড়িসহ সমস্ত তথ্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সব কিছু সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কোন ধরণের অজুহাত, মতাদর্শগত কর্তব্য অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। শাস্তি বা যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কারো কোন কথাও শুনা হবে না। সকলকে সততা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালিত হলে সংশ্লিষ্টদের চাহিদাও পর্য্যায়ক্রমে পুরন করা হবে। কখনো কখনো পরিচ্ছন্ন এবং যান্ত্রিক বিভাগের সমন্বয়হীনতার কারণে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে- সুপারভাইজারদের এমন অভিযোগের বিষয়ে সিটি মেয়র দ্রুত সমন্বয় সাধন করে কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকি নির্বাহি প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক,পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশ প্রদান করেন।