ছিনতাইকালে ট্রাক সহ ৬ মহিষ জব্ধ করলো হাইওয়ে পুলিশ

প্রকাশ:| শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:৩৯ অপরাহ্ণ

৬ ট্রাক মহিষ আটক
বি,এম হাবিব উল্লাহ চকরিয়া প্রতিনিধি-কক্সবাজারের চকরিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা সড়কের ডুলহাজারা সাপারী পার্কের গেইটে দিনদুপুরে মহিষ ছিনতাইকালে ট্রাক সহ অন্তত ৫লাখ টাকা মুল্যের ৬টি মহিষ জব্ধ করলো টহলরত মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় পুলিশ ফাড়ীঁর আইসি আনোয়ার হোসেনের নের্তৃত্বে ও টিএসআই আবুল কালামের উপস্থিতিেিত সংগিয় পুলিশ ফোর্স ট্রাক ভর্তি মহিষ গুলো জব্ধ করে ফাঁড়িতেঁ নিয়ে আসে। তবে পুলিশ ট্রাকটি আটকানোর সাথে সাথেই কৌসুলী মহিষ ছিনতাইকারীর দল পুলিশকে ফাকিঁ দিয়ে পালিয়েছে বলে স্থানীয় জনতা আফসোস করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৪টায় মালুমঘাট হাইওয়ে পুলশ ফাঁড়িরঁ ৫শ গজের ব্যাবধানে বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক গেইটে এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইকৃত মহিষ সহ ট্রাকটির (নং-চট্টমেট্ট্রো অ-১১-০০৫২) মালিক চিরিঙ্গা ইউনিয়নের জনৈক বেলাল ড্রাইভার বলে জানা গেছে। এ সময় বেলাল অন্য একজন চালককে ট্রাকটি অস্থায়ীভাবে চালনার জন্য দেয় বলে তিনি জানান। কিন্তু, এ চালকও উধাও বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রাপ্ত সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের বুড়িপুকুর এলাকার বয়োবৃদ্ধ আবুল হাসেমের মালিকানাধীন তার পালিত ৩৬ মহিষের চ্যাঙ্গের একটি ছোট বাচ্ছা সহ মোট ৬টি মহিষ পুর্ব শত্র“তার জের ধরে এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যাক্তির ইন্দনে ডুলহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী এলাকার ফরিদ আলমের ছেলে ছরওয়ার অলম, তার দলের অপর সদস্য চরন্ধীপ এলাকার মৃত দলিলের পুত্র মোহাম্মদ আলী ও বুড়িপুকুর এলাকার মহিষ মালিকের নিকটাতœীয় মৃত মোস্তাক আহমদের পুত্র ফজল এব্ং মন্নান সহ অন্তত ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর বেলায় চিরিঙ্গা ইউনিয়নের প্যারাবন এলাকায় চারণের সময় মালিকের কামলাকে মারধর করে সন্ত্রাসী কায়দায় ৬টি মহিষ ছিনতাই করে নিয়ে আসে। এ সময় মাঝঘাট এলাকার গ্রিল ওয়ার্কসপের মালিক মিজানের নের্তৃত্বে তার ভাড়া করা ট্রাকে করে মহিষ গুলো কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ডুলহাজারা সাপারী পার্কের গেইটে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ মহিষ ও ট্রাকটি জব্ধ করে। এ নিয়ে এদিন রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়ী ও মহিষ ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য দুটি গ্র“প পুলিশের সাথে অনেক দেন দরবার করলেও তারা ব্যার্থ হয়। পরে জানতে পেরে ট্রাক সহ মহিষ গুলো চকরিয়া থানার ওসির নির্দেশে থানা হেফাজতে নিয়ে আসার জন্য এসআাই সুকান্তকে দায়ীত্ব দেয়া হয় বলে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ীর (মুন্সি) বাকিবিল¬াহ প্রতিবেদককে জানান। এ ব্যাপারে চকরিয়া থানায় একটি মামলা আছে বলেও জানা গেছে। তবে নতুন করে মহিষ মালিক একটি মামলার প্রস্ততি নিচ্ছে। চকরিয়া থানার ওসি প্রভাস চন্দ্র ধরের মেসাবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়ার পরেও মোবাইল ব্যাস্ত হওয়ার কারনে তার বক্তব্য ও মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।