ছাত্রী হলে প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে স্মারকলিপি

প্রকাশ:| বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:২৭ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আবাসিক ছাত্রীরা হলে প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে। বুধবার বেলা ১২টার দিকে এ স্মারকলিপি দেয়া হয়।

তবে উপাচার্য না থাকায় স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী।

স্মারকলিপিতে বেশ কয়েকটি দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা থেকে বাড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত করা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এজন্য নিজেদের পড়ালেখার খরচ মেটাতে তাদের টিউশনি করতে হয়। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ক্লাস-ল্যাব থাকে, তাই সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার ট্রেনে করেই টিউশনির জন্য ছাত্রীদের নগরীতে আসতে হয়।

টিউশনি শেষে রাত পৌনে নয়টার ট্রেনে ক্যাম্পাসে ফিরতে প্রায় সাড়ে নয়টা বেজে যায়। এ অবস্থায় সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে হলে প্রবেশের যে বাধ্যবাধকতা (সান্ধ্য আইন) রয়েছে তা মেনে চলা সম্ভব নয়।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, উপাচার্য আজ অফিসে না থাকায় আবাসিক ছাত্রীদের একটি স্মারকলিপি আমরা গ্রহণ করেছি। তাদের দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল সান্ধ্য আইন বাতিল করা, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সান্ধ্য আইন নেই। যেটা আছে সেটা হল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে হলে ছাত্রীদের ফিরে আসা ।

তিনি আরো বলেন, ‘যেহেতু এটা উপাচার্য স্যারের বিষয় সেহেতু উনি আমাদের স্মারকলিপিটি গ্রহণ করতে বলেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে বসে পরবর্তি সিদ্ধান্ত জানাবেন।’

প্রসঙ্গত, গতকাল (মঙ্গলবার) দেশনেত্রী খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্টের কড়াকড়ি ও খারাপ ব্যবহার রোধসহ সন্ধ্যার ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত হলের প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন হলের আবাসিক ছাত্রীরা।