ছাত্রলীগ সভাপতির গাড়ি থামানোয় ট্রাফিক পুলিশকে মারধর

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২০ জুন , ২০১৪ সময় ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

পল্টন মোড়রাজধানীর পল্টন মোড়ে আজ শুক্রবার বিকেলে একজন ট্রাফিক কনস্টেবলকে পিটিয়েছেন ছাত্রলীগের একদল কর্মী। মো. মামুন নামের ওই কনস্টেবল বলেছেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগকে বহনকারী মাইক্রোবাস সিগন্যাল লঙ্ঘন করে যাওয়ার পর সেটিকে আটকানোর কারণে তাঁকে পেটানো হয়।

আহত মামুনকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিত্সা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি মাইক্রোবাস পল্টন মোড়ে সিগন্যাল ভঙ্গ করে যাওয়ার চেষ্টা করলে কনস্টেবল মামুন মাইক্রোবাসটি আটকান। ওই গাড়িতে ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান। গাড়িটি আটকানোর পরই পেছনে কয়েকটি মোটরসাইকেলে থাকা ছাত্রলীগের কর্মীরা এসে মামুনকে মারধর করেন। পরবর্তী সময় পুলিশের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি সামলান।
কনস্টেবল মামুন মোবাইল ফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তাদের কিছুই বলিনি। তারা আমাকে সিগন্যাল ভেঙে তাঁদের গাড়িবহর পার করে দিতে বলে। আমি বললাম, মাত্র সিগন্যাল ছাড়ছি, একটু দাঁড়ান। এ কথা বলতে না বলতেই পেছন থেকে কয়েকজন এসে মারধর শুরু করেন। আমি রাস্তায় পড়ে গেলে তারা আমার পিঠে-কোমরে লাথি মারে।’ কথা বলার সময় মামুন রাজারবাগ হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ভর্তি ছিলেন বলে জানান।
তবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর দাবি, পুলিশ সদস্য মামুন গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধিয়েছেন।
ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ প্রথম আলোকে বলেন, সেখানে ছাত্রলীগের কিছু কর্মীর সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ভুল-বোঝাবুঝি হয়। পরে তিনি তাঁর কর্মীদের বুঝিয়ে বঙ্গবন্ধু সড়কে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের দিকে নিয়ে যান।
পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের (দক্ষিণ) উপকমিশনার খান মুহাম্মদ রেজওয়ান বলেন, এ বিষয়ে পল্টন থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোর্শেদ আলম বলেন, এ বিষয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। তবে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানান।