ছাত্রলীগের ৫ নেতা-কর্মী আটক

প্রকাশ:| রবিবার, ২৭ মার্চ , ২০১৬ সময় ০৮:১৩ অপরাহ্ণ

ছাত্রলীগকক্সবাজারে ছাত্রলীগের চার নেতাকে আটক করেছে বিজিবি। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ছাত্রলীগ এই ঘটনার জন্য এমপি বদিকে দায়ী করেছে।

জানা যায়, রোববার কক্সবাজারের টেকনাফের নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। সকাল সাড়ে দশটার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহাম্মদ জয় জেলা ছাত্রলীগের ৮জন নেতাকে নিয়ে প্রাইভেট কার ও টেক্সিতে করে টেকনাফ যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হোয়াইক্যং চেকপোস্ট এলাকায় বিজিবির সদস্যরা তল্লাসীর কথা বলে তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক ছাড়া বাকীদের বেধড়ক পিটায়। পরে ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াকসহ সিনিয়র চারজনকে ছেড়ে দিলেও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-সম্পাদক মনসুর আলমসহ চারজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে চালান দেয়া হয়।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ বলেন, উখিয়া-টেকনাফের এমপি আব্দুর রহমান বদি টেকনাফে দলের সমস্ত প্রার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার কারণে একটি ছাড়া বাকী সব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পরাজিত হয়। এনিয়ে ছাত্রলীগের সাথে এমপি বদির ভুল বোঝাবুঝি হয় তারই ধারাবাহিকতায় তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহাম্মদ জয় বলেন, দলীয় প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এমপি বদি দলের প্রার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় আমরা এর প্রতিবাদ করেছি। তাই তিনি ছাত্রলীগকে অপমান করার জন্য ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।

টেকনাফস্থ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক আবু রাসেল সিদ্দিকী জানান, নির্বাচনী এলাকায় সন্দেহজনক চলাফেরার জন্য তাদের আটক করা হয়। ছাত্রলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহাম্মদ জয়কে কিছুক্ষণ পরে ছেড়ে দেয়া হয়। চারজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে ছাত্রলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহাস্মদ জয়কে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগের প্রতিটি উপজেলার নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমে আসে। কক্সবাজার-টেকনাফ ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা-সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। পরে জেলা আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।