চুয়েট সংঘর্ষের ঘটনায় ৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৭:৫০ অপরাহ্ণ

চুয়েটচট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া বহিস্কৃত নয়জনসহ ১১জনকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে।

বহিস্কৃতরা হলেন- তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান পাভেল, পুরকৌশল বিভাগ চতুর্থ বর্ষের শাহারিয়ার কবির জিতু, যাকারিয়া নাসিম হিমেল, মো. আব্দুল আওয়াল, কম্পিউটার কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মো. সাফায়েত ইসলাম, মোসলেহ উদ্দিন, মন্জুর-ই-মেহেদী বর্ণ, এস এম সানিউল ইসলাম সানি এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মো. মোবাশ্বারুল ইসলাম।

অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হলেন- যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মো. ফুরকান ও সাজ্জাত হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক ড. আশুতোষ সাহা বাংলানিউজকে বলেন, গত ১৫ জুন রাতে ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১১জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সুত্র জানায়, শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাফায়েত, পাভেল, সানিকে আজীবনের জন্য আবাসিক হল থেকে বহিস্কার, ৬ মাসের জন্য একাডেমিক বহিস্কার এবং আর্থিক জরিমানা করা হয়। এছাড়া মোসলেহ উদ্দিনকে ১ বছরের জন্য হল থেকে বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। বর্ণ এবং জিতুকে ৬ মাসের জন্য একাডেমিক বহিস্কার এবং আর্থিক জরিমানা করা হয়। সাজ্জাত ও সাইফুদ্দিনকে আর্থিক জরিমানা করা হয়। অন্য তিনজনকে ৬ মাসের একাডেমিক বহিস্কার ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।

ড. আশুতোষ সাহা বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে আর্থিক জরিমানা এবং হল বহিস্কার কার্যকর করা হবে। একাডেমিক বহিস্কার আপাতত স্থগিত থাকবে। আগামীতে এসব শিক্ষার্থী কোন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে সঙ্গে সঙ্গে এ শাস্তি কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন রাতে আধপিত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগরে দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এতে তিন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনার পর ২৪ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।


আরোও সংবাদ