চুয়েট ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষ

প্রকাশ:| রবিবার, ১ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:৪১ অপরাহ্ণ

চুয়েটদ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রলীগ কর্মীর উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষই দেশীয় অস্ত্রসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছে।

জানা যায়, গতকাল রাত একটায় চুয়েটের ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ পারভেজ লাফছুর অনুসারী দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আকিবুল হাসান রিদয়ের উপর অপরপক্ষের দ্বিতীয় বর্ষের আসিফুর রহমান রূদ্র হাবিব, আনাব, শাহাদাত, রাহাতসহ দশবারোজন চড়াও হয় । এরা সবাই ছাত্রলীগ নেতা শাহনেওয়াজ তানভীরের অনুসারী হিসেবে সুপরিচিত।

এসময় বঙ্গবন্ধু হলের বর্ধিতাংশের ৮নম্বর কক্ষে তারা লাঠিসোটা ব্যবহার করে রিদয়কে মারধর করে। এই ঘটনার জের ধরে রাত তিনটার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রলীগ সভাপতি নাহিদ পারভেজ লাফছুর নের্তৃত্বে নেতা কর্মীরা শহীদ তারেক হুদা হলে হাবিবকে মারধর করে। এসময় বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে দুপক্ষের বিভিন্ন বর্ষের নেতা কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে শেষবর্ষের স্থাপত্য বিভাগের দাউদ ইব্রাহীম, তড়িতকৌশল বিভাগের সাঈদুল চৌধুরী সাঈদসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

পরবর্তীতে হলে শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্তিতি শান্ত হয়। কিন্তু দুপুর দুটার দিকে আবার দু পক্ষের ভিতরে সংঘর্ষ বাঁধে। বিকেলে সার্বিক ঘটনার প্রেক্ষিতে লাফছুর অনুসারীরা চুয়েট উপাচার্য বরাবর একটি স্মারক লিপি জমা দিয়েছেন।

অপর পক্ষের নেতা শাহনেওয়াজ তানভীরের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে চুয়েট ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেয় হবে।’

চুয়েট উপাচার্য ড. মো. জাহাঙ্গীর আলল বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ক্যাম্পাসে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীদের সাথে আমারা কথা বলেছি। এ ব্যাপারে শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’