চুয়াডাঙ্গায় দাখিল, ই প্রাক প্রাথমিক বই না পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছে

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৯:২২ অপরাহ্ণ

চুয়াডাঙ্গায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা বই হাতে পেলেও দাখিল, ইসলামিক প্রাক প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষার শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষা বর্ষের জন্য নতুন বই এখনও পায়নি। ফলে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এদিকে, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বই পর্যাপ্ত রয়েছে। হরতাল-অবরোধ চলায় যোগাযোগ ব্যবস্থার অসুবিধার কারণেই এ বিলম্ব হচ্ছে। যোগাযোগ চালু হলেই বই হাতে পৌঁছতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার চারটি উপজেলায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা, গণিত, ইংরেজি , সমাজ, বিজ্ঞান, ইসলাম ধর্ম, হিন্দু ধর্ম ও খ্রীষ্টান ধর্মের বইয়ের চাহিদা ছিল ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৫শ ৫৫ পিস। চাহিদার বিপরীতে সব পাওয়া গেলেও বিতরণ করা হয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার ৮শ ৩৪ বই।

মাধ্যমিক পর্যায়ে বইয়ের মোট চাহিদা ছিল ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৬শ ২৯টি। এর বিপরীতে পাওয়া গেছে ৯ লাখ ৮১ হাজার ৭শ ৬৬ বই। এবতেদায়ীতে বইয়ের মোট চাহিদা ছিল ৮৭ হাজার ৭শ ৫ পিস। পাওয়া গেছে ৬৫ হাজার ৯০ বই। এসএসসি ভোকেশনাল শাখায় চাহিদা ছিল ২১ হাজার ৯শ ৯০ বইয়ের। পাওয়া গেছে ১৬ হাজার ৯শ ৭ পিস।

তবে, দাখিলে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর ১ লাখ ৫০ হাজার ২শ ২৫ বইয়ের মধ্যে একটি বইও আসেনি। ইসলামী ফাউন্ডেশনের ২১৪টি কেন্দ্রের প্রাক প্রাথমিক ও ১২টি বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রের জন্য মোট বইয়ের চাহিদা ছিল ১৩ হাজার ২শ ২০টি। একটি বইও এসে পৌঁছেনি। তবে, চক স্লেট ডাস্টার ও বলপেন কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানো হয়েছে আগেই।

এ ব্যাপারে ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এবিএম রবিউল ইসলাম জানান, গত ২ জানুয়ারি টোকেন হিসেবে তিন/চারজন ছাত্রছাত্রীকে বই দেয়া হয়েছিল। বইগুলো ঢাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ঢাকা থেকে বই আনা সম্ভব হচ্ছেমনা। তবে, এসময়ে পাঠদান অব্যাহত রাখতে পুরাতন বই দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হলে বই পাওয়া যাবে এবং পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিতরণ করা হবে।