“চামড়ার মৌসুমী ব্যাপারীরা ক্ষতির মুখে”

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বুধবার, ২২ আগস্ট , ২০১৮ সময় ১১:১৬ অপরাহ্ণ

মু:বাবুল হোসেন বাবলা:

ত্যাগের মহিমায় শেষ হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা(কোরবানী)র’ঈদ। এই উৎসবে গরু-ছাগল,মহিষ-ভেড়া,উঠ-দুম্বা সহ বৈধ অনেক পশু জবায়ের মাধ্যমে দেশের একটি অর্থনৈতিক উপার্জন হচ্ছে চামড়া থেকে বিক্রিত টাকা।আর এবারে এই শিল্পে ভয়াবহ  বিপর্যয়ের আশংকা করছে মৌসুমী ব্যাপারীরা।

কোরবানীর সকালে পশু জবাই’র পর থেকেই শুরু হয় চামড়া সংগহের কাজ।আর সেই কাজ টি সব চেয়ে বেশীই করে থাকেন বন্দর নগরীর অলি-গলি, ওয়ার্ড,ইউনিট, মহল্লা, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির ব্যানারে থাকা মৌসুমী ব্যাপারীরা। যাদের কে চাটঁগায়া ভাষায় বলে চামড়া ফড়িয়া।

আর বিগত বছরের তুলনায় এবারের চামড়ার দামে গোটা শহর জুড়ে হতাশর চাপ পরিলক্ষিত হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মৌসুমী ব্যাপারীরা অলি-গলি,পাড়া-মহল্লার চামড়া ফড়িয়া করে নির্ধারিত স্থানে জমাট করে বড় ব্যাপারীর আশায়-সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু ভালো দামের আশা করলেও তাতে উচ্চ মহলে সেন্ডিকেটের কবলে পড়ে আশায় গুড়েবালি পড়ে!

সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত্র বাড়তেই লবন ছাড়া গুলো চামড়া সংরক্ষণ অনেক ক্ষয়-ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে এসব মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের। আড়তদাররা চামড়া গুলো৬শ/৭শ বেশী দর-দাম দিতে পারবে না চাপ জানিয়ে দিলে চামড়া ফড়িয়া অনেকেই হতাশ হয়ে গালমন্দ করতে ও শুনা গেছে।

মৌসুমী ব্যাপারীরা আনোয়ার জানান,বিগত বছরের তুলনায় কম দামে উচ্চ মহলে সেন্ডিকেটের কবলে পড়ে পাইকারী হারে এবার সাড়ে৪’শ থেকে ৫শত টাকার বেশী দর বলছে না আড়তদাররা।একটি সূত্রে জানা গেছে যে,প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা মাঠে না আসায় মৌসুমী ব্যাপারীরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে খুচরা ব্যাপারী ইকরাম নেওয়াজ ও জোনাব আলী দোভাষ এ প্রতিবেদক কে জানান।

অনেক ব্যবসায়ী হতাশ প্রকাশ করে বলেন, সরকার পর পর দুই বছর কোন বিদেশী সংস্থা কে অর্থনৈতিক সু-সম্পর্ক বজায় রাখতেই চামড়া শিল্পের প্রতি কিছুটা কড়া নজরদারী আরোপ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন।তবে যাই বলুন এই কোরবানীর পশুর চামড়ার গরিবের একটি অংশ থাকে সেটিতে যে চরম বিপর্যয় পড়তে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা্ । চামড়ার দর ভয়াবহ  বিপর্যয়ের আশংকা দেথে অনেক কোরবানী দাতা চামড়া বিক্রি না করার কথা ও শুনা গেছে।

যাই হোক, একটি দেশের অর্থনৈতিক চামড়া শিল্প কে বাচাঁতে হলে সকল ক্ষেত্রের সম ভন্ডন হওয়া উচিত বলে মনে করছে অর্থনীতিবিদ গণ।