চানখারপুলে সংঘর্ষ, ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৬:৩৮ অপরাহ্ণ

চানখারপুলে সংঘর্ষ, ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে পেটানোর জেরে রাজধানীর চানখারপুলে আনন্দবাজার মার্কেট এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। চাঁনখারপুলের দুটি রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে। এসময় ৭ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার মীর সমীরের নেতৃত্বে জোরপূর্বক ঢাবির অমর একুশে হল সংলগ্ন একটি মার্কেট দখলের চেষ্টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

ক্যাম্পাস এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা অমর একুশে হলের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এর এক পর্যায়ে মার্কেটে থাকা সমীর ও বাচ্চুর লোকদের সঙ্গে শিক্ষার্থী, মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

জানা যায়, ফুলবাড়িয়া শ্রমিক লীগের সভাপতি খায়ের হোসেন আহমদ বাচ্চু ও ৩৪নং আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর ছমিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দবাজারে মার্কেট দখল নিয়ে হট্টগোল বাধে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী হোটেলে খেতে গেলে তারা বিষয়টি জানার জন্য এগিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হলে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে শহীদুল্লাহ হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জড়ো হন। এ সময় দায়িত্বরত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- সোহাগ, সুমন, শিবলী, সজীব, মাসুদ, রাশেদ ও সিফাত। এদের মধ্যে সজীব ও মাসুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুলিবিদ্ধ সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধের এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও একটি গাড়িতে আগুন দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. আমজাদ আলীর সাথে বৈঠক করছেন বলে জানা গেছে।

রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান জানান, চাঁনখারপুল এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।


আরোও সংবাদ