চসিক স্কুলসমূহে পাসের হার ও শিক্ষার মান বেড়েছে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:৪৬ অপরাহ্ণ

ইফতেখারুল ইসলাম,দৈনিক পূর্বকোণ>>
জেএসসি’তে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে পাসের হার এবং ফলাফলে গুণগত মান দু’টোই বেড়েছে। কমেছে বি, সি এবং ডি গ্রেডের সংখ্যা। উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে জিপিএ-৫ এবং এ গ্রেড প্রাপ্তদের সংখ্যা। চসিক সূত্র জানায়, এবার ৪৬ টি বিদ্যালয় থেকে পাঁচ হাজার ৪৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচ হাজার ১৬৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ, যা গতবছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে চার শতাংশ বেশি। এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও রেকর্ড গড়েছে এসব বিদ্যালয়। ২০১২ সালে যেখানে ১৭৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার তা হয়েছে ৯৯০। একইভাবে বেড়েছে এ গ্রেড প্রাপ্তদের সংখ্যাও। ২০১২ সালে এ গ্রেড পেয়েছিল ১২শ’ ৯০ জন। এবার তা বেড়ে হয়েছে দুই হাজার ১৫৪ জন। ওই বছর এ-মাইনাস ছিল ৯৭৫ জন। এবার তা কিছুটা কমে ৯৬৬ জন হয়েছে। বি গ্রেডপ্রাপ্তদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে ৯৫৯ থেকে ৫৯৭ হয়েছে। সি গ্রেডের সংখ্যা ১১শ’ ৭৫ থেকে এক লাফে ৪১৩ তে নেমে গেছে। ডি গ্রেডের সংখ্যাও ১৮২ থেকে ৪৮-এ নেমে এসেছে।
চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা অধ্যাপক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ পূর্বকোণকে বলেন, ভাল ফলাফলের প্রধান কারণ হল বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে অভিভাবকদের যোগাযোগ স্থাপন। প্রায় প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের সাথে বৈঠক করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিভাবকদের বলেছি কোন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছুটির পর বাসায় যাওয়ার পর তার খাতা দেখতে। ওই শিক্ষার্থী যদি মনযোগ সহকারে ক্লাস করে তাহলে অবশ্যই তার রাফ খাতায় নোট থাকবে। ক্লাসে কি পড়ানো হয়েছে তার নোট দেখলেই বুঝা যাবে ওই শিক্ষার্থী মনযোগ সহকারে ক্লাসে ছিল। যদি নোট না থাকে তাহলে তার যৌক্তিক জবাব দিতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থীদের প্রতি নজর রাখলে তারা ভাল ফলাফল করতে বাধ্য। তিনি আরো উল্লেখ করেন, চসিকের বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের দীর্ঘ দিনের কিছু দাবি-দাওয়াও মেয়র মহোদয় পূরণ করে দিয়েছেন। ফলে যেসব শিক্ষকের মনে ক্ষোভ ছিল তা-ও কেটে গেছে। তিনি বলেন, এখন চসিকের চ্যালেঞ্জ হল সামনের বছরের ফলাফল আরো ভাল করা। তিনি বলেন চট্টগ্রাম বোর্ডে যে ৮৬ দশমিক ১৩ শতাংশ পাসের হারের কথা বলা হচ্ছে তা-ও সম্ভব হয়েছে চসিকের বিদ্যালয়সমূহের কারণে। নতুবা পাসের হার আরো কমে যেত।


আরোও সংবাদ