চসিকের চারটি স্থায়ী কমিটি গঠন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:৩২ অপরাহ্ণ

m1চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের নিয়ে চারটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় সাধারণ সভায় কমিটিগুলো গঠন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। একনেক বৈঠকে ২০০কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করায় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

সিটি কর্পোরেশন সুত্র জানায়, স্থানীয় সরকার(সিটি কর্পোরেশন) আইন অনুযায়ী সাধারণ সভায় কাউন্সিলরদের নিয়ে নির্ধারিত ১৪টি বিষয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি গঠন করার নিয়ম রয়েছে। সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে অন্য বিষয়েও স্থায়ী কমিটি গঠন করতে পারবে সিটি কর্পোরেশন। নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির মেয়াদ দুই বছর ছয় মাস।

সভায় ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিউল আলমকে অর্থ ও সংস্থাপন স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের সচিব রশিদ আহমদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমনকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মান্নান সিদ্দিকীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউককে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্যরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালীকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের সচিব রশিদ আহমদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিতে সাতজন কাউন্সিলরকে সদস্য রাখা হয়েছে।

এছাড়া নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, হিসাব নিরীক্ষা ও রক্ষণ, নগর অবকাঠামো নির্মাণ ও সংরক্ষণ, পানি ও বিদ্যুৎ, সমাজকল্যাণ ও কমিউনিটি সেন্টার, পরিবেশ উন্নয়ন কমিটি, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কমিটি, যোগাযোগ, বাজারমূল্য পর্যবেক্ষণ, মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি আগামী ৭ সেপ্টেম্বর গঠন করা হবে বলে সভায় জানান মেয়র।

সভায় সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের ৫৫ জন কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে বৈষম্যহীনভাবে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে সরেজমিনে জরিপ করে রাস্তা, বাই লেইন, নালা-নর্দমা স্থাপনাসহ যাবতীয় বিষয়ে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন,‘এখন থেকে টেকসই রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আর সি সি রোড নির্মাণ করা হবে।’