চল্লিশেও বুড়িয়ে যাওয়া নয়

প্রকাশ:| রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ সময় ১০:১৯ অপরাহ্ণ

বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রতিটি নারীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন আসে। অধিকাংশ সময় শারীরিক অবস্থা-ই মানসিক অবস্থার ওপর বেশি প্রভাব বিস্তার করে। বয়স বাড়লে তাদের পেশীর শক্তি ও হাড়ের ঘনত্ব কমে আসে। সামান্য অসুস্থতার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বেড়ে যায় অনেক বেশি। বয়সের তুলনায় বুড়িয়ে যায় শরীর মন দুটোই। অথচ বয়স চল্লিশের কোঠায় গেলেও তরুণী থাকার উপায় আপনার হাতেই…

* এবয়সে প্রথমেই দরকার খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনা। মধ্যবয়সে পৌঁছলে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার রাখা জরুরি। দুগ্ধজাত যেসব খাদ্যে চর্বির পরিমাণ একেবারেই কম সেগুলো ক্যালসিয়ামের ভালো একটি উৎস। অপরদিকে নিরামিষভোজীদের জন্য সবুজ শাকসবজি ক্যালসিয়ামের নিরাপদ উৎস। এক্ষেত্রে ফুলকপি আর বাঁধাকপি খেতে পারেন। কমলার রসও ক্যালসিয়ামের ভালো একটি উৎস। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কমলার রস পান করলে দেহে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে।

* হাড় মজবুত রাখতে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। ভিটামিন ডি এর নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে সামুদ্রিক মাছ খুব ভালো একটি মাধ্যম। এসব মাছে আরও পাবেন ওমেগা ৩ ও ৬ ফ্যাটি এসিড। এটা আপনার হার্টের জন্য খুবই উপকারী। সামুদ্রিক স্যামন মাছ আপনার এসব চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

* বিকেলে বা সন্ধ্যার নাস্তার তালিকায় জাংক খাবারের পরিবর্তে বাদাম এবং ফলমূল রাখতে পারেন। এ বয়সে অতিরিক্ত ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকা উচিৎ। কারণ, তেলযুক্ত ভাজা খাবার আপনার শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে হৃৎপিণ্ডের রোগ বাধিয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। কারণ, এটা আপনার খাদ্যের ক্যালরি ধ্বংস করে দেয়।

* দুশ্চিন্তা মানুষকে অসুস্থ করে দেয় খুব সহজেই। দুশ্চিন্তা আপনাকে মুহূর্তেই বুড়িয়ে দেবে। তাই ফিটনেস ধরে রাখতে চাইলে হাসিখুশি ধরে রাখাটা জরুরি। এছাড়া নিয়মিত কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে হাঁটা খুব জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ শরীরকে সুস্থ রাখবে।