চবিতে পাল্টাপাল্টি শোডাউন ও সমাবেশ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ০৯:৫৯ অপরাহ্ণ

cu চবিএকাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত এবং আওয়ামী পন্থী শিক্ষকরা পাল্টাপাল্টি শোডাউন ও সমাবেশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও শহীদ মিনার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা। এরপর তারা মৌনমিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ, চাকসু এবং বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে শহীদ মিনারে চত্বরে এসে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘কাদের মোল্লার বিচার করেছেন আদালত, আর রায়ের দিন তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। এ বিচারের জালিয়াতির নিকৃষ্ট উদাহরণ ভুয়া মোমেনা বেগমের সাক্ষ্য। যার কথায় মহামান্য সুপ্রিকোর্ট কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। অথচ মোমেনা বেগম তার সাক্ষ্যের তিন জায়গায় তিন রকম বক্তব্য দিয়েছেন। যা বিবেচনা করে বিচারপতি আব্দুল ওয়াহাব মিয়া বিচারের সঙ্গে একমত পোষণ করেননি।’

শিক্ষক সমিতির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. আতিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় সচেতন শিক্ষক সমিতির ব্যানারে সমাবেশে বক্তব্য দেন- প্রফেসর ড. মতিউর রহমান, প্রফেসর ড.আলি আজাদি, প্রফেসর ড.শামসুদ্দিন, প্রফেসর ড. মোশারেফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. আ ক ম আব্দুল কাদের প্রমুখ।

জামায়ার সমর্থিত শিক্ষকদের সমাবেশ শেষ হওয়ার পরপরই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী জুনিয়র শিক্ষকরা শহীদ মিনার চত্বরে পাল্টা শোডাউন ও সমাবেশ করেন। তারা এসময় কাদের মোল্লার ফাঁসি দ্রুত কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সমাবেশে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এদেশের সব মানুষ যুদ্ধাপরাধের বিচার চায়। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাদের মোল্লার রায় দ্রুত এ রায় কর্যকর করতে হবে।’

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন- সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মহিউদ্দিন মাহিম যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক জিয়াউর রহমান সোহেল, রেজাউল করিম পালি ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক লিটন মিত্র প্রমুখ। তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন- এ এফ রহমান হলের প্রভোস্ট এস এম মনিরুল হাসান ও শামসুন্নাহার হলের প্রভোস্ট ড. মাহবুবুর রহমান।