চবিতে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৬

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর , ২০১৪ সময় ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ

চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র কওে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষেও ঘটনা ঘটেছে। মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবএিম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ‘ভিএক্স’ গ্রুপ ও সাধারণ সম্পাদক আজম নাসির উদ্দিনের অনুসারী ‘সিক্সটিনাইন’ গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ১৮ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় ছাত্রলীগের ছোড়া ইট-পাটকেলে আহত হয় চার পুলিশ সদস্য। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয় ছাত্রলীগের উভয় গ্রুপের দুই জন কর্মী। আহতদের চবি মেডিকেল সেন্টাওে প্রথামিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারের মোড়ে ভিএক্স ও সিক্সটি নাইন কর্মীদেও মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় সিক্সটি নাইনের কর্মী রায়হান ও ভিএক্স কর্মী আনোয়ারের মধ্যে মারামারি হয়। এর পরপরই দু’গ্রুপ শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে এসে সংগঠিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র হাতে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছাত্রলীগের উভয় পক্ষই ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ছাত্রলীগের ইট-পাটকেলে আহত হয় পুলিশের চার সদস্য। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৮ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের টিয়ারশেলের আঘাতে আহত হয় সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মী ফাহিম। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করেছে। চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপ নেতা আলমগীর টিপু বলেন, ‘ভুল বোঝাবুঝির কারণে জুনিয়রদের মধ্যে এমন সমস্যা হয়েছে। সিনিয়ররা বসে তা সমাধান করে নেব।’
এদিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা রেজাউল করিম বলেন, ‘আলমগীর টিপুর অনুসারী রায়হানসহ ১০-১২ জন শহীদ মিনার মোড়ে আমাদের জুনিয়র আনোয়ারকে মারধর করে আহত করে। পরে তারাই আবার শাহ আমানত হল থেকে অস্ত্র ও লাঠিসোটা হাতে শাহ জালাল হলে হামলা চালায়।
হাটহাজারী মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত মো: সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ১৮ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। উভয়পক্ষের ইট-পাটকেলের আঘাত চার পুলিশ সদস্য আহত হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ দৌলাহ বলেন, ‘দু-পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া উত্তেজনা কি নিয়ে তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে সতর্ক থাকতে আমরা অনুরোধ করেছি।


আরোও সংবাদ