চট্টগ্রাম নগরী জলাবদ্ধতামুক্ত হবে

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৬ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ১০:১৩ অপরাহ্ণ

উত্তরবঙ্গে মঙ্গা ছিল, তা ভুলে গেছে মানুষ। কোনো জাদুমন্ত্রে নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও আন্তরিকতায় উত্তরবঙ্গ এখন মঙ্গামুক্ত। ঠিক তেমনি তার আন্তরিকতায় চট্টগ্রাম নগরীও জলাবদ্ধতামুক্ত হবে।

শুক্রবার (০৬ অক্টোবর) উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা বাকলিয়া ডিসি রোডের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।

তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্থপতি। তিনি জানেন, কীভাবে তিনি তা গড়বেন। আধুনিক চট্টগ্রামের স্থপতি হিসেবে, আমি জানি কীভাবে চট্টগ্রামের উন্নয়ন করতে হবে। এর জন্য চাই ধারাবাহিকতা। ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় বসাতে হবে।

সিডিএর বয়স ৬০ বছর হতে চলেছে উল্লেখ করে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, বিগত ৮ বছর থেকে আজ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে চলেছে। যা সিডিএর বাকি সময়টাতে আর কখনো হয়নি। বাকলিয়া এক্সেস রোডের কাজ এ মাসেই শুরু হবে। নভেম্বরে ১২ খালের মুখে পাম্পসহ স্লুইসগেট ও চাক্তাই-কালুরঘাট রিভার ড্রাইভ নির্মাণ এবং খাল খননের কাজ শুরু হবে।

তিনি বলেন, ১৭ কিলোমিটারের পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট রিং রোড ও বেড়িবাঁধের কাজের ষাট ভাগের বেশি সম্পন্ন। সেখানে গড়ে উঠবে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র। বাইপাসসহ বহদ্দারহাট-শাহআমানত সেতু পর্যন্ত চারলেনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু, বারিক বিল্ডিং, বিমান বন্দর, ফৌজদারহাট হয়ে উঠবে এক্সপ্রেসওয়ে। এদিকে বহদ্দারহাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত হচ্ছে ফ্লাইওভারসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

আগামী পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম কেমন হবে তা দেখার জন্য অচিরেই নাগরিক সমাজকে আমন্ত্রণ জানাবেন বলেও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সিডিএ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন শাহ, স্থপতি সোহেল শাকুর, কেবিএম শাহজাহান, হাসান মুরাদ বিপ্লব, নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হাজি শফিকুল ইসলাম, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর পেয়ার মোহাম্মদ, মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনঞ্জুমান আরা আনজু, আবদুল মান্নান, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হাসান। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকৌশলী মো. ওসমান।


আরোও সংবাদ