চট্টগ্রাম জেলা পরিষদে এম এ সালাম আ.লীগের প্রার্থী

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর , ২০১৬ সময় ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ

এম এ সালামপ্রতিনিধিঃ চট্রগ্রাম জেলার জেলা পরিষদের’১৬ নির্বাচনে উওর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্বএম,এ,সালামকে আসন্ন চট্রগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে চুডান্ত প্রাথী`হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামীলিগ। চট্টগ্রাম উওর জেলার একাধিক নেতারা জানান, মাননীয় প্রধানমমন্রী শেখ হাসিনা,স্বচছতা সততার মূল্যায়ন হিসেবে ও চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য এম এ সালামকে আ.লীগের প্রার্থী করেছেন। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদে এম এ সালামকে চুড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করেছেন বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের মাননীয় সভানেত্রী,স্হানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী, বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা।
তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক।

মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) রাতে গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তাকে মনোনয়ন দেয়। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। নানা জল্পনা কল্পনার পর এমএ সালাম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন।

এর আগে পাঁচ বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে এমএ সালাম জানিয়েছিলেন, পাঁচ বছরে জেলা পরিষদ থেকে ১২৪ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ থেকে ২০১২ অর্থবছরে ২১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, ২০১২ থেকে ২০১৩ অর্থবছরে ২৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা, ২০১৩ থেকে ২০১৪ অর্থবছরে ২১ কোটি ২০ লাখ, ২০১৪ থেকে ২০১৫ অর্থবছরে ৩০ কোটি ৩২ লাখ ‍টাকা এবং ২০১৫ থেকে ২০১৬ অর্থবছরে ২৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে।

জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এই বরাদ্দ বন্টন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক এম এ সালাম।

পাঁচ বছরে ১৪ উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ছোট ছোট প্রকল্প ‍বাস্তবায়নের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সাধারণত টেন্ডারের ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীদের চাপ সামলাতে হয়, এই চাপ কিভাবে উপেক্ষা করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি টেন্ডার কমিটি করেছি। কমিটিকে বলেছি, শতভাগ স্বচ্ছতার মাধ্যমে সব শর্ত পূরণ করে যিনি কাজ করতে পারবেন তাকেই কাজ দিতে হবে। টেন্ডারে কেউ যাতে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আগেভাগে পুলিশকে খবর দেয়া হত। প্রক্রিয়াটাকে স্বচ্ছ রেখেছি, এজন্য কোন চাপ কেউ আমাকে দিতে পারেনি।

এম এ সালাম জানালেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে জেলা পরিষদের প্রায় ৩০৮ একর জমি দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছেন। এসব জমিতে জেলা পরিষদ মার্কেট, কমিউনিটি সেন্টার, মাল্টিপারপাস হল, যাত্রী ছাউনি, কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছেন। এছাড়া অস্থায়ী ইজারা দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ডেইরি ও পোলট্রি ফার্ম, সেলস সেন্টার ও শোরুম, কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠান। এর ফলে পাঁচ বছরে জেলা পরিষদের তহবিলে জমা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।

জেলা পরিষদের ৪৩টি ফেরিঘাট ইজারা দিয়ে তহবিলে জমা হয়েছে প্রায় ২২ কোটি টাকা। জেলা পরিষদের ৩১টি জলাশয় থেকে পাঁচ বছরে আয় হয়েছে এক কোটি টাকারও বেশি। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে ইজারা দেয়ায় নিজস্ব সম্পদ থেকে জেলা পরিষদ তাদের আয় আগের পাঁচ বছরের চেয়ে দ্বিগুণ করতে সক্ষম হয়েছে যা পরিষদের ইতিহাসে প্রথম বলে জানিয়েছেন এম এ সালাম।


আরোও সংবাদ