“চট্টগ্রামে ৫ জেএমবি সদস্য আটক- খুনের ঘটনা উদঘাটন”

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ০৯:৩২ অপরাহ্ণ

আইএসএসের সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, বাবুল আকতার –উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি)

দেশব্যাপী কয়েকদিন যাবৎ বিদেশী নাগরিক সহ হত্যা, রাহজানি এবং খুনের ঘঠনা অত্যাধিকভাবে বেড়েগিয়ে সরকারকে আন্তজার্তিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ফেলেছে নিরাপত্তা বিভাগ।

“চট্টগ্রামে ৫ জেএমবি সদস্য আটক- খুনের ঘটনা উদঘাটন”২একদিকে রাজনৈতিক অস্তরিতা অন্যদিকে আইন শৃঙ্খলার নীরব ব্যর্থতা জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের সম্মুখিন সরকারের পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সেনা বিভাগ। চলদি বছরের শেষ দিকে নগরীর বায়েজীদ বোস্তামী মাজারের খাদেম হত্যা এবং সদরঘাট এলাকায় মাঝিরঘাঠে চিন্তাই করতে গিয়ে গ্রেনেট বিস্ফোরনে নিহতদের মামলা প্রসঙ্গে তদন্ত করতে গিয়ে নগর গোয়েন্দা সংস্তা ৫্ই অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন “চট্টগ্রামে ৫ জেএমবি সদস্য আটক- খুনের ঘটনা উদঘাটন”১খোয়াজনগর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির উপ পুলিশ কমিশনার বাবুল আকতারের নেতৃত্বে অভিযানে জেএমবির ৫ সদস্যকে বিপুল পরিমান জিহাদী বই, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। আটককৃত জেএমবির সদস্যদের মধ্যে মোঃ জাবেদ সামরিক প্রধান এর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে আটকৃতরা সাংবাদিকদের জানান। এইছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের পোয়াদ সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে তহবিল সংগ্রহ করে জেএমবিদের সংঘঠিত করার কাজে নিয়োজিত আছেন। আটকৃত অন্যান্য সদস্যরা মাহবুবুর রহমান খোকন (৩০), মোঃ শাহজাহান কাজল (২৮), মোঃ সুজন বাবু (২৫) কে কর্ণফুলি খোয়াজ নগর এলাকা থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ সহ আটক করে ডিবি পুলিশ।

৬ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপ পুলিশ কমিশনার শহিদুর রহমান এই তথ্য জানান। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবদাশ ভট্রোচার্য্য, উপ পুলিশ কমিশনার ডিবি কুসুম দেওয়ান, উপ পুলিশ কমিশনার সিএসবি মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া এবং গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ বাবুল আকতার ।

অভিয়ান প্রসঙ্গে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ বাবুল আকতার সাংবাদিকদের বলেন বিশ্বস্থ একটি গোপন সুত্রে ডিবির পুলিশ টিম এসআই সন্তোষ কুমার চাকমা, লিয়াকত আলী, ইলিয়াছ খান, সিবেন বিশ্বাস, রাজেস বড়–য়া এবং রাসেল মিয়া, আফতাব এর সমন্বেয়ে গঠিত চৌকস টিম এই জেএমবির সংগঠনের আস্তনা সনাক্ত করে বিপুল পরিমান গুলি, অস্ত্র, গ্রেনেট তৈরীর সরমানঞ্চাধি, চুরি, জিহাদী বই মোবাইল সেট, মোটর সাইকেল এবং বাইসাইকেল সহ অত্যাধুনিক বিস্ফোরখ দ্রব্য, চাইনিজ কুড়াল, একে ২২ রাইফেলের বাট, ৬৪টি স্টিলের টুকরা, বিয়ারিং, লোহার পেরেক এবং চোট চোট তারের টুকরা অসংখ্য স্ক্রু. ককটেলের কোটা ও কালো কসটেপ উদ্ধার করতে স্বচেষ্ট হন ।

এক প্রশ্নের জবাবে বাবুল আকতার বলেন, এই জেএমবির সদস্যদের সাথে আইএসএসের সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা সঠিক ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে কোন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কিংবা কোন প্রভাবশালীর সহায়তা থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার জোর চেষ্টা চলছে।