চট্টগ্রামে সবজির বাজার চড়া

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৯ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ০৮:৩৬ অপরাহ্ণ

কাঁচাবাজার১বাজারে সরবরাহ কম ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে এখনো বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ সবজি। তবে কিছুটা কমেছে কাঁচামরিচের দাম। এদিকে পেঁয়াজ, রসুনসহ অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার আগ্রাবাদ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে ৪০ টাকার নিচে কোনো সবজি বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা জানান, ঈদের সময় সবজির দাম কিছুটা কমলেও আবারো বাড়তে শুরু করেছে।

বাজারের সবজি বিক্রেতা মহসিন মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর থেকে দুয়েক সপ্তাহ বাজার এমনিতেই মন্দা থাকে। গত কয়েকদিন ধরে বাজার আবার চাঙ্গা হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিক্রেতারা বেশি সবজি তুলছে না। এ কারণে দামও বেশি।’

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির মধ্যে বরবটি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, কাকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, গাজর ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, পটল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, চাল কুমড়া (আকার ভেদে) ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন (কালো) ৬০ টাকা, (সাদা) ৪০ টাকা, শশা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রায় সব ধরনের শাক প্রতি আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। যদিও খুচরা বিক্রেতারা এখনো বাড়তি দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করছে।

শুক্রবার বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগে এই দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। এছাড়া গত এক সপ্তাহ ধরে স্থির রয়েছে পেঁয়াজ, রসুনসহ অন্যান্য মুদি পণ্যের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, রসুন ৯০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৪-২৫ টাকা এবং আদা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, গত সপ্তাহ থেকে মাছের আমদানি বাড়ছে। তবে স্বাভাবিকের তুলনায় এখনো কম। এই সুযোগে বিক্রেতারা দামও হাকাচ্ছেন বেশ। এদিন কৈ ২০০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া বড় ২৬০, সরপুঁটি ৩০০, চিংড়ি ৫৫০-৯০০ টাকা, রুই ২০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকা, পাকিস্তানি ২৪০ ও লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়।