চট্টগ্রামে বিএনপি কার্যালয়ে পদবঞ্চিত ছাত্রদলের ভাঙচুর

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর , ২০১৮ সময় ০৬:৩৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতারা।

বুধবার দুপুরে নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার দোস্ত বিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সম্প্রতি কমিটি ঘোষণার পর থেকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে পদধারী ও পদবঞ্চিতরা কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে। এরই মধ্যে বুধবার সকালে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী দোস্ত বিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি অফিসের তালা ভেঙে সেখানে অনশন কর্মসূচি পালন করেন।

তাদের নেতৃত্বে ছিলেন নবগঠিত দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হায়দার চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জমির উদ্দীন মানিক ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন।

দুপুরে কর্মসূচি শেষ করে ফিরে যাওয়ার সময় পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতারা অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করে ব্যানার ছিঁড়ে অফিসের গেটে নতুন দুটি তালা লাগিয়ে চলে যান। ঘটনার সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা নগরীর চাক্তাইয়ে মান্নান টাওয়ারের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন।

সেখানে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরীসহ জেষ্ঠ্য নেতারা ছিলেন। কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর নেতারা তাদের কার্যালয়ে হামলার খবর পান।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের দালাল। বিএনপি কর্মী হলে এভাবে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করতে পারেনা। তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ভাংচুর করেছে। কার্যালয়ের চেয়ারগুলো ভাংচুর করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হায়দার চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে অনশন কর্মসূচি পালন করে আমরা চলে আসি। ভাঙচুরের বিষয়ে আমি কোনও খোঁজ-খবর পাইনি। তালা ভেঙে ভাঙচুর করার বিষয়টি সত্য নয়।

কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।