চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

প্রকাশ:| বুধবার, ১৯ জুন , ২০১৩ সময় ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

ctg kiric440চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে মৃদু সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

বুধবার বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদ চৌমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নগরীর আগ্রাবাদ ২৩ নম্বর পাঠানটুলী এলাকার ‘বি’ ইউনিটে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয় চৌমুহনী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে। নেতাকর্মীদের সম্মতিতে লটারির মাধ্যমে এ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে লটারিতে অংশ নেন সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আফছারুল আমীনের অনুসারীরা। লটারিতে দুটি পদেই নাম ওঠে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাদের; কিন্তু বিষয়টি মেনে না নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আফছারুল আমীনের অনুসারীরা।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী জাবেদ গ্রুপ ও আফছারুল অনুসারী জাহেদ-ফেরদৌস গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে পড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা রামদা, কিরিচ ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ব্যস্ততম রাস্তায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। লোকজন ভয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি রামদা উদ্ধার করে। তবে সংঘর্ষে অবশ্য বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কয়েকজন নেতাকর্মী সামান্য আহত হন। তাদের নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, মহিউদ্দিন চৌধুরী অনুসারী জাবেদের পক্ষে নগরীর ইসলামিয়া কলেজের এবং আফছারুল আমীন অনুসারী জাহেদ-ফেরদৌসের পক্ষে কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

ডবলমুরিং থানার এসআই ইকবাল হোসেন জানান, কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ বেশ কয়েকটি রামদা উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।