চট্টগ্রামে অ্যাপোলোর টেলিমেডিসিন সেন্টার চালু

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৮:১২ অপরাহ্ণ

উপমহাদেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল অ্যাপোলো গ্লেনিগলস হসপিটালস রোগীদের দ্রুত ও সহজভাবে সেবা দেওয়ার জন্য ৃড়গদগবাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামে টেলিমেডিসিন সেন্টার চালু করেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর ডাক্তারপাড়া খ্যাত জামালখানের আজাদ ভবনে এ টেলিমেডিসিন সেন্টারের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এসময় তিনি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুপালী বাসুর সঙ্গে টেলি কনফারেন্সে কথা বলেন। উদ্বোধনের সময় হাসপাতালের ডাক্তার ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এ সেন্টার চালু করায় চট্টগ্রামবাসী অনেক উপকৃত হবে। এ সেন্টারের মাধ্যমে রোগী খুব সহজেই ভাল ও উন্নতমানের চিকিৎসা নিতে পারবে।’

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আহবান জানিয়ে সাবেক নগর পিতা মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসীর কথা বিবেচনা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামে আধুনিক সুযোগ-সমন্বিত হাসপাতাল চালু করবে এ প্রত্যাশা করি।’

মহিউদ্দিন চৌধুরীর বক্তব্যের জবাবে হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী রুপালী বাসু বলেন, ‘চট্টগ্রামের সঙ্গে কলকাতার ঐতিহাসিক একটি সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চট্টগ্রামে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু করতে চাই। এর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে এ টেলিমেডিসিন সেন্টার চালু করা হল।’

টেলিমেডিসিন সেন্টারের কর্মকর্তা সৈয়দ রিফাত ফারুক সম্রাট বাংলানিউজকে জানান, এ সেন্টার চালু উপলক্ষ্যে কলকাতা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মঙ্গলবার দিনব্যাপী রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেন। নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডা. শান্তনু পাঁজা প্রায় ৭০ জন এবং ইউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডা. অম্লান চক্রবর্তী ৫০ জন রোগীকে সেবা দেন।

এদিকে নগরীর চট্টগ্রাম সিনিয়র ক্লাবে এ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের প্রধান ব্র্যান্ডিং ও কমিউনিকেশন কর্মকর্তা সঞ্জিত নায়েক, ডা. অম্লান চক্রবর্তী, ডা. শান্তনু পাঁজা এবং হাসপাতালের অ্যাডভাইজার মুক্তিযোদ্ধা অমলেন্দু সরকার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ সেন্টার চালু হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের জন্য এখন রোগীদের ভারতে যেতে হবে না। এতে তাদের ভ্রমণ, থাকা-খাওয়ার খরচ লাগবে না। পাশাপাশি এখান থেকেই তারা হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে পারবেন।

এছাড়া ভারতে চিকিৎসার জন্য ভিসা জটিলতা দূর করতে রোগী ও তাদের স্বজনদেরকে এ সেন্টার সহযোগিতা করবে বলে জানান হাসপাতালের কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পূর্ব ভারতের একমাত্র জে. সি. আই. স্বীকৃত এ হাসপাতালে বিশ্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। বিশ্বের মধ্যে এ হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি কিডনি-লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়। ৫১০ শয্যবিশিষ্ট এ হাসপাতালে আগামী দু’বছরের মধ্যে হাজার শয্যায় উন্নীত করা হবে


আরোও সংবাদ