চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন

প্রকাশ:| শনিবার, ৯ মে , ২০১৫ সময় ০৭:৩৩ অপরাহ্ণ

ctg mosarrofমিরসরাইতে ১৫ হাজার একর জমি পাওয়া যাবে উল্লেখ করে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শিল্পের জন্য মিরসরাই হবে, ‘ল্যান্ড ব্যাংক অব বাংলাদেশ।’

শনিবার নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তৃতীয় বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি চট্টগ্রাম চ্যাপ্টার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিভিন্ন কারণে কেউ চাইলেও চট্টগ্রামকে অবহেলা করতে পারবেনা মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন। চট্টগ্রামকে অবহেলা করতে চাইলেও ভৌগলিকসহ নানা কারণে এটা সম্ভব নয়। কোন সরকারও পারবে না। চাইলেও না।

ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই মহেশখালী মাতারবাড়িতে এলএনজি টার্মিনাল ও কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৮ মিটার ড্রাফটের জাহাজ মাতারবাড়ি ছাড়া অন্য কোন স্থানে ভিড়তে পারবে না। সেজন্যই সেখানে করতে হচ্ছে। একইভাবে চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য কোথাও টানেল নির্মাণও সম্ভব হবে না।

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে ঘিরে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তরিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, একনেক সভায় অকৃষি জমিতে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলা পরিকল্পনা নিলেন। তখন আমি ভৌগলিক কারণে মুহুরির চরে প্রজেক্ট তৈরি করে দেখালাম। ওনি (প্রধানমন্ত্রী) বিষয়টি বুঝতে পারলেন। অনেক কিছু করা যাবে এমন জমিই আমি খুঁজছি। বেজা (বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন) যখন সৃষ্টি হলো সেখানে দেখা গেল। জাইকার সার্ভেতে দেখা গেল মিরসরাইতে সাগরের পাড়ে ১৫ হাজার একর জমি পাওয়া যাবে। চেয়ারম্যান বলেছেন এ ল্যান্ডটি হবে ল্যান্ড ব্যাংক বাংলাদেশ ফর ইন্ডাস্ট্রি। তাই বলা হয় চট্টগ্রামের উন্নয়ন হলে সারা বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম শহর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামকে এক করার স্বপ্ন অনেকদিনের। চট্টগ্রামে উন্নয়নের অংশ হিসেবে টানেল তৈরি করা হচ্ছে। এটা ঢাকায় হবে না। ভৌগলিক কারণে চট্টগ্রাম ছাড়া কোথাও হওয়ার সুযোগ নেই। তাই টানেলটা আমরা পাচ্ছি। এ বছর এটার উদ্বোধন হবে। এখানে শহর ও ওখানে আরেকটা শহর হলে আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অনেক বাড়বে। এছাড়া কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বলেছেন এখান থেকে অফিস সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আবার আসছে। না হলেও কোনদিন আমাদের বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অথনীতি সমিতি চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সভাপতি অধ্যাপক ড. জ্যোতি প্রকাশ দত্ত। বিশেষ অতিষি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অথনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অথনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ, স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াই চৌধুরী।


আরোও সংবাদ