চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভা

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ১১ জুন , ২০১৮ সময় ১০:০৪ অপরাহ্ণ

স্বৈরাচারী সরকার পতনে ঐক্যবদ্ধ ও কঠোর আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মিরসরাই বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমিন। সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের ইফতার মাহফিলে তিনি একথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকি ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের আহ্বায়ক মঞ্জুরুল হক বাহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিরসরাই বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আউয়াল চৌধুরী, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান। শাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, নুরুল আবছার চেয়অরম্যান, নাছির উদ্দিন, মো.আলাউদ্দিন, জসীম উদ্দিন, মেশকার উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, ইব্রাহীম হক, দিদারুল আলম, মনজুর মোরশেদ কনক, শাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী মানিক, আমজাদ হোসেন, মাসুম বিল্লাহ, নাজিম উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন সবুজ প্রমুখ। নুরুল আমিন বলেন, ‘দেশ আজ গভীর সংকটের মধ্যে অতিক্রম করছে। দেশে মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই , নেই কথা বলার অধিকার। বিএনপির ধৈয্যেরর্ বাঁধ ভেঙে গেছে। এখন সময় এসেছে প্রতিরোধ গড়ে তোলার। সরকার বিএনপিকে ধ্বংস করে দিতে চায়। কিন্তু জনগণ যে দলের শক্তি ও সাহস সে দলের ক্ষতি করা সম্ভব নয়। এজন্য বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আইনী লড়াই করে আমরা বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে পারবো না। কারণ সরকারের ইশারায় আদালত চলছে। সরকার বেগম জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। যাতে জিয়া পরিবারের কেউ নির্বাচনে যেতে না পারে। বেগম খঅলেদা জিয়া ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হবে না। আমরা লিফলেট বিতরণ করেছে, শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছি। কিন্তু ওইসবে আর লাভ হবে না। কঠোর থেকে কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে আমরা নেতাকর্মীরা আত্মাহুতি দিবো। এখনই সময়ে এসেছে রাজপথে নামার।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেট জনকল্যাণমূলক না হওয়ায় জনগণ হতাশ হয়েছে। তারা যেহেতু জনগণের সরকার নয়, আর এই সংসদ সদস্যরা যেহেতু জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, তাই তাদের কাছ থেকে জনকল্যাণমুখী বাজেট আশা করা যায় না। এই বাজেট পাস হলে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। বাড়িঘরের ট্যাক্স বাড়বে, বাসাভাড়া বাড়বে, ফলে সামগ্রিকভাবে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা বিপাকে পড়বে। কারণ মূল্য সংযোজন করের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। ভ্যাটের ব্যাপ্তি বৃদ্ধি পেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তরাই কষ্ট পাবে বেশি। চলতি আয়-ব্যয়ে বিশাল ঘাটতি থাকবে।’ সভা থেকে বেগম খঅলেদা জিয়া, আসলাম চৌধুরীসহ সকল বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করা হয়।