চকরিয়া-খুটাখালী মাছ বাজার আবর্জনার ভাগাড়

প্রকাশ:| রবিবার, ৪ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ০৮:০৪ অপরাহ্ণ

বি,এম হাবিব উল্লাহ. চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি-

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী মাছ বাজার পঁচা ময়লা পানি ও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। পঁচা দূর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ক্রেতা-বিক্রেতা ও পার্শ্ববর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা। তারা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির অব্যবস্থাপনাকে দূষছেন। তবে চরম সংকটে পড়েছে বাজারে আগত সদাইপাতিরা। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সরজমিন পরিদর্শণ ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন উচ্চ মূল্যে খুটাখালী বাজার ইজারা দেন। ইজারাদাররা আলাদা ভাবে বাজারকে বিভক্ত করে উপ ইজারা দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। বাজারের পয়নিস্কাষন ব্যবস্থাপনা ও ময়লা সাফাইয়ের কোন ধার ধারে না তারা। সপ্তাহে রবি-বুধবার বাজারের হাট বসে। নামমাত্র কিছু পয়েন্টে ময়লা পরিস্কার করা হলেও অদ্যবদি মাছ বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাষন ও ময়লা আবর্জনা সাফাই করা হয়নি। মাছ বিক্রেতাদের অভিযোগ দৈনিক মোটা অংকের দেয়া হয়। তবে পরিস্কার পরিচ্ছনতার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও ময়লা পঁচা পানি ও বাজারের আবর্জনায় অনেকাংশে ভরাট হয়ে গেছে। যার কারনে মাছ বাজার এলাকায় ময়লা পানির সয়লাব হয়েছে। শনিবার পার্শ্ববর্তী খুটাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা ময়লা পানি ডিঙ্গীয়ে স্কুলে যাতায়ত করতে দেখা গেছে। শিশু শিক্ষার্থী আছমা, পারভিন, দিদার জানান ময়লা পানি পার হওয়ার সময় অনেক সময় পিচলে পড়ে তাদের বই খাতা নষ্ট হয়। বাধ্য হয়ে তারা নাক চেপে এ পথ দিয়ে স্কুলে যাতায়ত করছে।

বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শফিউল আলম’র নিকট এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বাজার সাফ সাফাইয়ের বিষয়টি ইজারাদারদের বলে সাফ জানিয়ে দেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারেরা দায়সারা ভাবে সাফাই কাজ চালিয়ে যাওয়ায় দিন দিন জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাহেদুল ইসলামের নিকট বাজার অব্যবস্থাপনার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বাজার কমিটি ও ইজারাদারদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বস্থ করেছেন।