চকরিয়ায় নির্মিতব্য ড্রেইনের কাজে অনিয়ম!

প্রকাশ:| সোমবার, ১০ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৪:৩৭ অপরাহ্ণ

বি,এম হাবিব উল্লাহ, চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রকিনিধি-চকরিয়া পৌরসভার এমজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ৪ কি.মি. ড্রেইন নির্মানের কাজ সম্প্রতি সময়ে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যেদিয়ে শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কোরক বিদ্যাপিঠ থেকে শুরু করে ফুলতলা হয়ে উকিল পাড়া-থানা সেন্টার হয়ে খোদারকুম পর্যন্ত যে ড্রেইন নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে তাতে দীর্ঘদিনের স্বপন্ বাস্তবায়নে আধুনিক এ ড্রেইনেজ ব্যাবস্থার উদ্যোগ যখনি আলোর মুখ দেখ দেখতে শুরু করেছে। ঠিক এ মুহুর্তে একটি চক্র এ উন্নয়নে কাজে বাঁধার সৃষ্ঠি করার পায়তারা চালাচ্ছে। চকরিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিপা এন্টারপ্রাইজ অসংখ্য লোকবল দিয়ে প্রায় স্থানে সু-প্রসস্থ এবং যথাযথ নিয়মে ড্রেইনের কাজ চললেও স্বপ্নপুরি হয়ে উকিল পাড়া থেকে থানা সেন্টার পর্যন্ত ড্রেইনের কাজে কিছুটা অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন এলাকাবাসী এবং সচেতন মহল। সরজমিন জানা যায়, একদিকে ৫/৬ ফিট এবং অন্যদিকে ৪/৫ফিট ড্রেইন নির্মান, কোন যায়গায় বিদ্যমান সড়ক সাভাবিক আবার কোন কোন স্থানে সড়ক ছোট হয়ে আসছে। কি কারনে কাজ সঠিক ভাবে হচ্ছেনা তার কোন সুত্র খোজে পাচ্ছিনা। সরজমিন দেখা গেছে, উকিল পাড়া এসে ঠিকাদারের লোকজন ড্রেইনের জন্য এমইএসের পর্যাপ্ত পরিমান যায়গা থাকলেও মুল সড়কের উপর কাজ করছে। এতে করে বিদ্যমান সড়কটি আগের চেয়ে অনেক ছোট হয়ে যাচ্ছে। সুত্র জানায়, প্রভাবশালী মহলের ভয়ে তাদের বাড়ী-ঘর এবং দোকান পাট রক্ষার জন্য রহস্য জনক কারনে সড়কের পুর্ব পাশের্^ পর্যাপ্ত পরিমান যায়গা থাকলেও কামলারা সড়কের পশ্চিম দিকে এক্সেভেটর দিয়ে মুল সড়ক খুড়েঁ চলাচলের রাস্তা ছোট করে ফেলছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ব্যাপারে এ নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা বলে চিহিৃত করেছে। ৪ কি.মি. সড়কের পাশের্^ যদি একই নিয়মে ড্রেইনের কাজ চলে আসে তবে শুধুমাত্র স্বপন পুরি হয়ে উকিল পাড়া থেকে থানা সেন্টার পর্যন্ত কেন রাস্তা ছোট হয়ে যাবে। এখানে ড্রেইনও প্রায় অন্যান্য স্থানের চেয়ে অনেকটা ছোট আকারে দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পৌরবাসী পৌর কর্তৃপক্ষের আশু নজরদারী কামনা করেছেন। চকরিয়া পৌরবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন ২০ কোটি টাকার এ প্রকল্প কাজে স্থানীয়রা কেনইবা উন্নয়নে বাধাঁর সৃষ্ঠি করবে। যেসব যায়গা স্থানীয়রা ছাড়তে চাইছেনা তাতো এমইএসের যায়গা। সরকারের একোয়াভুক্ত অনেক যায়গা রয়েছে এসব চিহিৃত স্থান গুলোতে। প্রসংগত কারনে এবং প্রভাবশাালীদের ভয়ে আর তাদের বাধাঁর মুখে পড়ে ড্রেইন নির্মান কাজে বিঘœ সৃষ্ঠি হচ্ছে। এ ব্যাপারে মান্যবর মেয়র আলমগীর চৌধুরীকে সরজমিন পরিদের্শনের জন্য এলাকাবাসী অনুরুধ জানিয়েছেন। নইলে আগামী ৫০ বছরের পরিকল্পনা কাজে চকরিয়া পৌরসভাকে পস্তাতে হবে। এদিকে এলাকার সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেন, কোন রুপ ভয় ভিতি এবং স্বজনপ্রীতি আর দলয়ি মতের উর্ধ্বে উঠে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ সিডিউল অনুযায়ী যথা নিয়মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিপা এন্টারপ্রাইজকে পৌর কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে একই নিয়মে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।


আরোও সংবাদ