চকরিয়ায় ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিয়ে চলছে অটোরিক্সা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৪ জুলাই , ২০১৫ সময় ০৪:৪১ অপরাহ্ণ

বি এম হাবিব উল্লাহ::
চাঁদা দিয়ে চলছে অটোরিক্সাকক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না । এ উপজেলার মহাসড়কে চলছে সিএনজি অটোরিক্সাসহ তিন চাকার গাড়িগুলো । এতে যানজট ও দূর্ঘটনা নিত্যকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে । গতকাল মহাসড়কের চকরিয়ার পৌরশহর অংশে পৃথক দূর্ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছে চারজন। এরপরও সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের টনক নড়েনি। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জাতীয় মহাসড়কে যানজট ও দূর্ঘটনা রোধকল্পে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, মাহেন্দ্র, সিএনজি অটোরিক্সা, নসিমন, করিমনসহ তিন চাকার গাড়িগুলো চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এই নিষেধাজ্ঞা বিভিন্নমাধ্যমে প্রচার হলেও চকরিয়ার ওইসব গাড়ির চালকরা মানছে না সরকারি নির্দেশনা। গতকাল সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চকরিয়া পৌরশহরস্থ মহাসড়কের বক্স রোডেই চালকদের ইচ্ছেমত পার্কিং ও যাত্রী পরিবহন করছে সিএনজি অটোরিক্সা, ব্যাটারি চালিত রিক্সা, মাহেন্দ্র, ম্যাজিকসহ তিন চাকার বিভিন্ন গাড়ি। এতে যানজট সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি বক্স রোড ও পুরাতন বাস স্টেশনে পৃথক ২টি সড়ক দূর্ঘটনায় শিশু রহিমাসহ চারজন আহত হয়। সিএনজি অটোরিক্সা উল্টে ও মাহেন্দ্রের সাথে পেডল চালিত রিক্সার ধাক্কায় পৃথক দূর্ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে সিএনজি অটোরিক্সা ও মাহেন্দ্র গাড়ি প্রতি মাসিক ১৫০ টাকা করে ট্রাফিক পুলিশ চাঁদা নেয়ায় ওইসব গাড়ির চালকরা বেপরোয়া ড্রাইভিং ও যত্রতত্র পার্কিং করে। পৌরশহরেই বিভিন্নমূখী অন্তত ৪’শ মাহেন্দ্র ও সিএনজি রয়েছে। এসব গাড়ির পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিয়ে চালকরা নিজেদের ইচ্ছেমত মহাসড়কের উপর পার্কিংসহ যাত্রী উঠানামা করেন হরহামেশা। চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাফিক পুলিশের দাবি জনবল সল্পতার কারণে পৌরশহরস্থ দুই কলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের সব জায়গায় দেখভাল করা সম্ভব হয় না। এরপরও দৃষ্টিকটু অবস্থা দেখলেই সংশ্লিষ্ট চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। কক্সবাজার সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপি) মো.মাসুদ আলম বলেন, নিষেধাজ্ঞার লিখিত অর্ডার পাওয়ার সাথে সাথেই মহাসড়কের চকরিয়ার ৩৯ কিলোমিটার অংশে অভিযান শুরু হবে। এমনিতেই চকরিয়ার শহর কেন্দ্রিক মহাসড়কের উপর কোন ছোট গাড়ি পার্কিং ও যাত্রী উঠানামা বন্ধে থানা ও ফাঁড়ি পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া আছে ।


আরোও সংবাদ