ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাব পর্যটক শূন্য কক্সবাজার

প্রকাশ:| রবিবার, ৪ জুন , ২০১৭ সময় ০৭:৩৩ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার উপকূলে গত ৩০ আঘাত হানে ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’। আর তাতেই আটকা পড়েছিল প্রায় ৫-৬ শ‘দেশি-বিদেশি পর্যটক। ঘুর্ণিঝড়টির ভয়াবহত এতো বেশি ছিলো যে এক প্রকার বন্দী ঘরে ছিল পর্যটকরা। একদিকে রমজান অন্যদিকে ঘুর্ণিঝড় সবকিছু মিলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প।

সরেজিমনে দেখা যায়, অনেকটা ফাঁকা পড়ে আছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবনী পয়েন্ট। যেখানে লাখো পর্যটকের সমাগম থাকতো প্রতিনিয়ত। কিন্তু এসব জায়গায় আগের মতো পর্যটকদের সমাগম নেই। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন সৈকতের বীচ বাইক চালক, ফটোগ্রাফার ও বীচে ছাতা চেয়ার শ্রমিকসহ আরও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শ্রমিক।

তবে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ১০-১২ জনের একটি পর্যটক দলকে দেখা গেছে। তারা জানান, ঢাকা থেকে এসেছি আজ দুইদিন কিন্তু ঘুর্ণিঝড়ের কারণে বের হতে পারেনি। আজ একটু বের হলাম তারপরও বিপদ সংকেত থাকায় লাইফগার্ড কর্মী বাধা দিয়েছিল।

ঢাকা থেকে আসা কলেজ ছাত্র সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, এর আগেও অনেকভার এসেছি কক্সবাজারে, তবে এরকম সমস্যায় কখনো পড়েনি। আমরা এখানে আসার পর থেকে বৈরী আবহাওয়া সৃষ্টি হয়। যার ফলে আমরা বের হতে পারিনি।

এদিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডায়মন্ড আবুল কাসেম জানান, কিছু পর্যটক কক্সবাজারে অবস্থান করছিল। কিন্তু ঘুর্ণিঝড়ের কারণে তারা হোটেলেই দিন পার করেছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে তাই পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে।

তিনি আরও জানান, গত রমজানের চেয়ে এই রমজানে পর্যটক সংখ্যা খুবই কম। যার ফলে হোটেল ব্যবাসায়ীদের বড় ধরণের ক্ষতি গুনতে হবে।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী জানান, বিপদ সংকেত থাকায় গত দুইদিন কোনো পর্যটক বা স্থানীয়দের সৈকতে নামতে দেয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। আস্তে আস্তে সবকিছু সচল হতে চলেছে। আশা করি পর্যটকরাও আসবে।