গোলাম আজমের শিষ্যই পেল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন !

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:০২ অপরাহ্ণ

প্রসঙ্গ: জাতায় নির্বাচন। মন্তব্য প্রতিবেদন:নদভি
রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক,সিইউজে।
আর না লিখে পারছিনা । আর চেপে রাখতে পারছিনা আশাহতের বেদনা । প্রসঙ্গ: জাতায় নির্বাচন । মনে আমার নিন্দার ঝড় ওঠেছে জামায়াতের অন্যতম প্রধান পৃষ্টপোষক ও জামায়াত নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আবু রেজা নদবী’র সাতকানীয়া-লোহাগাড়া আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে। নদবী শুধু জামায়াতের পৃষ্টপোষকই ছিলেন না তার পরিচালিত প্রতিষ্টান আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগও ওঠে একটি গোয়েন্দা সংস্হার অনুসন্ধান রিপোর্টে। জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনি ফোরাম ‘কর্মপরিষদ’ সদস্য মোমিনুল হক চৌধুরীর জামাতা নদবীর পক্ষে জামায়াতের প্রাক্তন আমির গোলাম আজম এক প্রত্যয়নে তাকে তাদের একজন ‘দক্ষ কর্মী’ বলে প্রত্যয়নপত্র দেন। যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যখন তুমুল আন্দোলন চলছিল, তখন মধ্যপ্রাচ্যে নদবীর বিশেষ অবস্হান গড়ে তুলতে আরবী হরফে লিখে গোলাম আজম এই প্রত্যয়ন দেন নদবীকে। এছাড়া যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহীদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হারিস চৌধুরীর সাথে তার ঘনিষ্টতার ছবি সম্বলিত প্রকাশনা রয়েছে খোদ তার নিজের প্রতিষ্টানেরই। ভারতের স্বনামধন্য একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হলেও অনৈতিক চরিত্রের কারণে সেখান থেকে বহিস্কার করা হয় নদবীকে। এই নদবীকে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যার সফর সঙ্গী করে বিদেশ যাত্রার সুযোগ করে দেন বিশেষ মহল। অবশেষে জাতীয় নির্বাচনে তার দলীয় মনোনয়নও জুটল। অথচ আসনটিতে আওয়ামী পরিবারের দীর্ঘ দিনের ত্যাগী নেতা কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি আবু সুফিয়ান, শিল্পপতি আবদুল মোতালেব, পেশাজীবি নেতা ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপনের মত যোগ্য নেতারা ছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী। আসনটি ছাড়া চট্টগ্রামের অন্য কোথাও মনোনয়ন নিয়ে তেমন কোন বিতর্ক নেই।