গুদাম থেকে উদ্ধার করা স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে

প্রকাশ:| সোমবার, ১৮ মে , ২০১৫ সময় ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকায় ইলেকট্রনিক্স পণ্যের গুদাম থেকে উদ্ধার করা প্রায় ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছে পুলিশ।
গুদাম থেকে উদ্ধার করা স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে
সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলমের উপস্থিতিতে প্রায় ২০ কেজি স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেন সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মর্জিনা আক্তার।

গত ৮ এপ্রিল রাতে পশ্চিম মাদারবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পাশে এসি মেলা নামে একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ এসময় ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার টিটু (৩৫) এবং কর্মচারি এমরানকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।

সদরঘাট থানার ওসি মর্জিনা আক্তার বলেন, আদালতের নির্দেশে জব্দ তালিকা অনুযায়ী সব স্বর্ণালংকার ও বার বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে জমা দেয়া হয়েছে।

পুলিশের তল্লাশিতে ১২০টি সোনার বার পাওয়া যায় যার ওজন ১৪কেজি ২০০ গ্রাম। আর ১৬ আইটেম সোনার অলংকার পাওয়া যায় যার ওজন ৫কেজি ৮০০ গ্রাম।

জব্দ তালিকা অনুযায়ী সোনার অলংকারের মধ্যে আছে, ১৬টি হাতের বালা, ১২টি বাচ্চাদের চুড়ি, ৪সেট গলার চেইনসহ কানের দুল, ২ সেট মোটা চেইনের গলার সেট, ২টি সীতাহার, ১টি গলার বড় গোল লকেট, ৩২টি গলার চেইন লকেট, ১টি টিকলিসহ চেইন, ২টি দুলসহ গলার চেইন, ৪টি গলার হার, ৪টি গোল লকেটসহ গলার চেইন, ২০টি গলার চেইন, ৬ সেট কালো পুতির গলার মালা ও চেইন, ১২ জোড়া কানের দুল, ৯ সেট গুটি চেইনসহ গলার মালা, ১টি গলার ছোট হার এবং ১৪টি ছোট চেইন।

ফাঁড়ির পাশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড়া সৃষ্টি হয়। তবে পরবর্তীতে সেই ঘটনা অনেকটাই ধামাচাপা পড়ে যায়।

এসি মেলার মালিক জসীমসহ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আর কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মর্জিনা আক্তার বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে ত‍াকেই গ্রেপ্তার করা হবে।