গুজব ছড়ানোর আশংকা করেছেন এসপি নূরে আলম মিনা

প্রকাশ:| সোমবার, ৩ অক্টোবর , ২০১৬ সময় ০৮:২৭ অপরাহ্ণ

দুর্গাপূজার সময় অনলাইনে-সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর আশংকা করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) নূরে আলম মিনা। তবে কেউ এই ধরনের গুজব ছড়িয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এসপি।
%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac-%e0%a6%9b%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8
সোমবার (৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসপি এসব কথা বলেন।

এসপি বলেন, দুর্গাপূজায় স্বার্থান্বেষী মহল গুজব ছড়াতে পারে। কারণ রাজনৈতিক কারণে অনেক মানুষের অন্তরে ভিন্ন প্রদীপ জ্বলে। তারা সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে ফেসবুকে-অনলাইনে নানা কথা ছড়াতে পারে।

‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গুজব ছড়িয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা আমরা কোনভাবেই বরদাশত করব না। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আমরা কঠোরভাবে দমন করব। ’

তিনি বলেন, আমরা জনগণের সহযোগিতা চাই। শুধু যারা পূজা করছেন তারা নয়, সবার সহযোগিতা চাই। গুজব থেকে নিজেদের সাবধান থাকতে হবে এবং সবাই মিলে সাধ্যমত প্রতিরোধ করতে হবে।

পূজামন্ডপে সিসিটিভি লাগানোর আহ্বান জানিয়ে এসপি বলেন, পূজামন্ডপে যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা হঠাৎ করে ঘটে যেতে পারে। মাদক গ্রহণ করে উচ্ছৃঙ্খলতা করতে পারে। ছিনতাই হতে পারে। ইভ টিজিংয়ের মতো ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। এজন্য সিসিটিভির প্ল্যানটা একটা কার্যকরী পদক্ষেপ হবে বলে আমি মনে করি। সিসিটিভি লাগাতে হবে।

সভায় পুলিশ সুপার জানান, জেলার ১৬ থানায় ১ হাজার ৪৬৯ টি পূজামণ্ডপের ৩০৪টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ৪৬৫ টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৭০০টি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুর্গাপুজায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জেলায় ১২০টি মোবাইল টিম ও ৩৭টি চেকপোস্টসহ দুই হাজার পুলিশ সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) ‍মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারি পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত ও সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার দেব এবং বিভিন্ন উপজেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা।