গামের্ন্টস কর্মীকে ধর্ষণ

mirza imtiaz প্রকাশ:| সোমবার, ১৫ এপ্রিল , ২০১৯ সময় ০৫:৫৯ অপরাহ্ণ

পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দেখতে পটিয়া উপজেলা বড়লিয়া গ্রামের এক গামের্ন্টস কর্মীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তার কথিত বন্ধুদের বিরুদ্ধে।

রবিবার বন্ধুদের সাথে চট্টগ্রাম শহরের ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

ধর্ষিতার পরিবারের দাবী বন্ধুরা ঐ কিশোরীকে ধর্ষণ করার ফলে অতিরিক্ত রক্তকরন বন্ধ না হওয়ায় সন্ধ্যা ৭টার সময় সিএনজি(অটোরিক্সা) যোগে চট্টগ্রাম শহর থেকে পটিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসে তার পরিবার।

পটিয়া হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: বাবলু দাশ জানান দুজন মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। সন্ধ্যা ৭টার সময় তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় পটিয়া সরকারি মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে এলে মেয়েটির অবস্থা আশংকাজনক দেখে তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাত সোয়া ৮টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক আমির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান পটিয়া থেকে বন্ধুদের ধারা ধর্ষণের শিকার একটি কিশোরীকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের ওয়ান স্টেপ ক্রাইসিস সেন্টারের অধিনে চিকিৎসা নিচ্ছে। তবে মেয়েটির অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান তিনি।

ধর্ষিতার ভাই দিদার জানান তার বোন পটিয়া আরেফিন টেক্সটাইল গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সহজ সরল বোনকে ফুসলিয়ে প্রেমের নামে ছলনা করে পটিয়া উপজেলার কচুয়াই গ্রামের রিপন নামে এক প্রতারক। ধর্ষক রিপন (২৬) একজন গাড়ি চালকের সহকারী বলে জানিয়েছে দিদার।

তিনি বলেন, রবিবার বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দেখার নামে তার বোনকে শহরে নিয়ে রিপনের এক বন্ধুসহ তার বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বর্তমানে তার বোনের অবস্থা ভালো নয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে জানিয়ে তার বোন একটু সুস্থ হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানায় কিশোরীর ভাই দিদার।

পটিয়া থানার ওসি তদন্ত হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, তারা মৌখিকভাবে ১ কিশোরী ধর্ষণের খবর পেয়ে থানা থেকে হাসপাতালে ফোর্স পাঠানো হয়। লিখিত অভিযোগ পেলে ধর্ষকদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানালেন ওসি তদন্ত হেলাল।


আরোও সংবাদ