গলা কাটা মহিলার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

প্রকাশ:| রবিবার, ৪ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
উখিয়ার মনখালী এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে গত ৩০ নভেম্বর পুলিশ গলা কাটা এক বৃদ্ধ মহিলার লাশ উদ্ধার করেছে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিহত বৃদ্ধ মহিলার ছেলে আব্দুর রহিম বাদী ৪ জনকে আসামী উখিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। উক্ত এজাহারটি আমলে নিয়ে থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের লাশ উদ্ধার হওয়ার দুই দিনের মাথায় ঘাত প্রতিঘাত, হস্তক্ষেপ ও নানা জল্পনা কল্পনা উপেক্ষা করে অবশেষে হত্যা মামলাটি মামলা হিসাবে থানায় নথিভুক্ত করেন। যার মামলা নং- (২) তারিখ ২/১২/২০১৬ ইং। উক্ত মামলাটি থানায় নথিভুক্ত করার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে, সাধারন জনমনে স্বস্তির নিঃস্বাস ফিরে আসলেও মামলার বাদী ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে বলে জানা গেছে। মামলার বাদী আব্দুর রহিম এই প্রতিবেদককে অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকান্ডে জড়িত ও সম্প্রতি চলন্ত গাড়ী থেকে ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ত্রিফল মার্ডারের অন্যতম আসামী ও মনখালী এলাকার আতংক মৃত সাকের মৌলভীর ছেলে ইমরান প্রকাশ ইয়াবা ইমরান, সাবেক ইউপি সদস্য দলিলের ছেলে মজিব, ছৈয়দ হোসনের ছেলে মিজানও আসেকুর রহমান প্রতিনিয়ত মুঠোফোনে তাকে স্ব-পরিবারের হত্যা করে লাশ ঘুম করার হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে এবং আগামী ১ সাপ্তার মধ্যে থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলাটি তোলে নেওয়া না হলে এবং তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহত না দিলে তার মায়ের মত তাকেও জবাই করে হত্যা করা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন বলে জানান মামলার বাদী। সূত্রে মতে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা নির্মম ভাবে হত্যাকান্ডের মত ঘটনা ঘটিযেছে বলে এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন। ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরিফুর রহমান গলা কাটা মহিলার লাশ উদ্ধারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
সূত্রে আরো জানা যায়, মনখালী গর্জনবনিয়া এলাকার মৃত আব্দুস ছালামের স্ত্রী নুর বানু (৭০)। সে প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৯ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে মনখালী গভীর জঙ্গলের পতাঙ্গার মাঠ নামক এলাকায় গরুকে ঘাস খাওয়ার জন্য ওই জায়াগায় নিয়ে যায়। সন্ধায় বাড়ীতে না ফেরার কারনে তার আতœীয় স্বজনেরা পর দিন বুধবার অনেক খুঁজাখুঁজির পর দুপুর ২ টার দিকে গভীর জঙ্গলের পতাঙ্গা মাঠ এলাকায় নাতী ইলিয়াছ তার দাদীর গলা কাটা লাশ মাঠিতে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় ইনানী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মুছার নিকট একটি বিচারও রয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে পাষন্ডরা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মুছা কাছে তাদের জমি সংক্রান্ত একটি বিচার রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অপরাধীরা যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন, গ্রেপ্তার পূব