গরুর গোবরেরতৈয়ারী লাঠি বিক্রি করে এলাকার দরিদ্র মহিলার তাদের পরিবারের ব্যায়ভার বহন করছে

প্রকাশ:| রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:২৬ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান ঃ রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় গরুর গোবর দিয়ে তৈরী গোবর লাঠি রান্নার কাজে ব্যবহার করছে এলাকার লোকজন । গোবর লাঠি রান্নার কাজে ব্যবহার করছে, গরুর গোবরেরতৈয়ারী লাঠি বিক্রি করে এলাকার দরিদ্র মহিলার তাদের পরিবারের ব্যায়ভার বহন করছে । রাউজান উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গৃহপালিত গরুর গোবর দিয়ে বাশেঁর ছোট খুটি ও সড়ক ও বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটে থাকা অমর গাছ দিয়ে এলাকার মহিলারা গোবরের লাঠি তৈয়ার করেন । মহিলাদের তৈয়ারী গোবরের লাঠি প্রতিটি তিন থেকে চার টাকা করে বিক্রয় করে অসহায়, স্বামী পরিত্যাক্ত ও বিধবা মহিলারা পরিবারের ব্যায় ভার বহন করছেন ।গরুর গোবর দিয়ে তৈয়ারী জালানী হিসাবে ব্যব্হৃত গোবরের লাঠি তৈয়ারী করছে এলাকার স্বামী পরিত্যাক্ত মহিলা বিধবা ছাড়া ও এলাকার মহিলারা । এলাকার মহিলাদের মধ্যে স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা ও বিধবা মহিলারা গরু পালন করেন । তাদের গরু থেকে যে গোবর পাওয়া যায় সেই গোবর ও শুস্ক মৌসুমে খালী ফসলী জমিতে প্রতিদিন এলাকার লোকজনের গরু চড়ানো হয় । ঐ গরুর গোবর খালীূ ফসলী জমি থেকে সংগ্রহ করে এলাকার মহিলাদের মধ্যে স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা ও বিধবা মহিলারা প্রতিদিন গোমর দিয়ে গোবরের লাঠি তৈয়ারী করে তা রোঁেদ শুকিয়ে তার ঘরের রান্নার কাজে ব্যব্হার ও এলাকার লোকজনের কাছে জালানী হিসাবে বিক্রয় করা হয় । এলাকার কৃষক নিম্মবিত্ত পরিবারের মহিলারা তারা গরু পালন করেন । তাদের গরুর গোবর দিয়ে তৈরী করা গোবরের লাঠি ঘরের রান্নার কাজে ব্যবহার করেন । শুস্ক মৌসুমে গরুর গোবর দিয়ে তৈয়ারী গোবরের লাঠি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় যাকে বলা হয় ( গুন্ডার লাঠি) রান্নার কাজে ব্যব্হার করার পর অবশিষ্টগুলো বর্ষার মৌসুমের জন্য ঘরের অঙ্গিনায় সংরক্ষন করে রাখেন মহিলারা । রাউজান পৌর এলাকার সুলতানপুর কাজী বাড়ীর পেছনে ময়মনসিংহ এলাকা থেকে আগত বাসিন্দ্বারা ভাড়া বাসা নিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন । তারা বর্তমানে রাউজান পৌর এলাকার ভোটার । ময়মনসিংহ এলাকা থেকে আগত বাসিন্দ্বাদের মধ্যে পুরুষেরা দিনমজুরের কাজ ও রিক্সা চালিয়ে থাকেন । মেয়েরা এলাকার গবাদি পশুর ফার্ম থেকে গরুর গোমর সংগ্রহ করে তা দিয়ে গোবরের লাঠি তৈয়ারী করে পার্শ্ববর্তী খালী ফসলী জমিতে রোঁেদ শুকিয়ে পরিবারের সদস্যদের খাওয়ার রান্না করে ও অবশিষ্ট গোবরের লাঠিগুলো এলাকার লোকজনের কাছে বিক্রয় করে বলে জানান, রাউজান পৌর এলাকার সুলতানপুর কাজী বাড়ীর পেছনে ভাড়া বাসায় জীবণ যাপনকারী ময়মনসিংহ এলাকা থেকে আগত ফাতেমা বেগম । ফাতেমা বেগম জানান, স্বামী আলী টমটম চালায়, আমি পার্শ্ববর্তী এলাকার গরুর ফার্ম থেকে গরুর গোবর সংগ্রহ করে রান্নার জালানী কাজে ব্যবহারের জন্য গরুর গোবর দিয়ে গোবরের লাঠি তৈয়ারী করে আসছি । বাসার রান্নার কাঝে নিজের তৈয়ারী গোবরের লাঠি জালানী হিসাবে ব্যবহার করে গত এক মাসে চার হাজার টাকার গোবরের লাঠি বিক্রয় করেছি । রাউজান উপজেলা সদরে ভাড়া বাসায় বসবাসকারী শতাধিক মহিলা গোবরের লাঠি তৈয়ারী করে জালানী হিসাবে এলাকার লোকজনের কাছে বিক্রয় করছেন বলে জানা যায় । রাউজানের ডাবুয়া ইউনিয়নের দক্ষিন হিংগলা শান্তি নগর এলাকার স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা পাখি আকতার তার পিতা খায়েরুজ্জমার ক্রয় করে দেওয়া গাভী গরু পালন করেন । স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা পাখি আকতার প্রতিদিন গাবীর দুধ বিক্রয় করে ও গাভী ও বাছুরের গোবর দিয়ে তৈরী গোমরের লাঠি এলাকার লোকজনের কাছে বিক্রয় করে দুই ছেলেকে লেখাপড়া ও পরিবারের ব্যয়ভার বহন করছেন বলে স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা পাখি আকতার জানান । রাউজানে গরুর গোবর দিয়ে তৈরী গোবরের লাঠি এলাকার লোকজনের রান্নার জালানী হিসাবে ব্যবহার করছে । রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় গোবরের লাঠি এলাকার অধিকাংশ রান্নার জালানী চাহিদা পুরণ করে আসছে