গভীর সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে হতেই হবে

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে গভীর সমুদ্রবন্দর হবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, হয়তো সোনাদিয়া হবে, নয়তো মাতারবাড়ি হবে। কিন্তু গভীর সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে হতেই হবে। চট্টগ্রাম আমাদের অর্থনৈতিক রাজধানী।

বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর নীল নকশায় ছিল এ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। আর তাই তারা চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহৃত সব কিছু হয় নিয়ে গেছে এবং ডুবিয়ে দিয়ে গেছে। আজ সেই বন্দরই বাংলাদেশের আয়ের মূল উৎস।


তিনি আজ শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃক আয়োজিত পোর্ট এক্সপো ২০১৭ এর সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শূণ্য হাতের পাকিস্তানীদের দিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ আজ উন্নত বিশ্বে রোল মডেল। যেখানে আগে বিদেশিরা বলতো বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্য দেশের উদাহরণ। বাংলাদেশ বিশ্বে পোশাক তৈরীতে ২য় স্থান অর্জনকারী। নদীর ট্যানেলের কথা বিগত সরকার গুলো শুধুই মুখে বলে গেছেন কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারেনি। বর্তমান সরকার তা বাস্তবায়ন করছে দশ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। সুতরাং আপনারা এসব উদাহরণ থেকে বুঝতে পারছেন বিশ্বে উন্নয়নের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থানটি।
.
এছাড়াও চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট দুর করতে মহেশখালীতে দুটি এলএনজি টার্মিনাল গড়ে তুলার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এড মিড়াল এম খালেদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার এ দেশকে নিয়ে দুইটি স্বপ্ন ছিল একটি হলো ডিজিটাল দেশ গড়া ও অন্যটি হলো উন্নত আয়ের দেশে বাংলাদেশকে পরিনত করা। যা ভিশন ২০২১ এবং ২০৪১ এর মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণভাবে পরিনত হবে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আসনের সাংসদ এম এ লতিফ এমপি, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম এমপি ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এমপি উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিল সেনা , নৌ , বিমান সহ বিভিন্ন বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ।


.
সভায় অতিথিদের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর মেলায় বিজয়ী স্টল গুলোর হাতে অতিথিদের তুলে দেওয়া পুরস্কারের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পোর্ট এক্সপো ২০১৭ এর দুই দিন ব্যাপী আয়োজিত জমকালো আয়োজনটি।