গনমাধ্যম এবং বিচার বিভাগে পূর্ন-নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার

প্রকাশ:| সোমবার, ২৫ আগস্ট , ২০১৪ সময় ০৬:২৪ অপরাহ্ণ

বান্দরবানে বিএনপির কর্মী সম্মেলনে খন্দকার

বান্দরবান প্রতিনিধি ॥
দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে বান্দরবানে কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। আজ সোমবার বিকালে জেলা সদরের পর্যটন মোটেল সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম আকবর খন্দকার বলেছেন, আগামীতে ক্ষমতায় গেলে পার্বত্যবাসীর দাবীগুলোকে অগ্রাধীকার দেয়া হবে। অতিতেও পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বাস্তবসম্মত নানা পদক্ষেপ নিয়েছে বিএনপি। বাংলাদেশে বসবাসরত সকলে বাংলাদেশী। তবে সকলে বাঙ্গালী নয়, অন্যান্য জাতীস্বত্তাও রয়েছে এটি বিএনপি বিশ্বাস করে। স্থানীয় জাতীগোষ্ঠীদের স্বস্ব জাতীস্বত্তার পরিচয়ের স্বীকৃতি দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, স্বেচ্ছাচারিতা, সন্ত্রাস, অনিয়ম-দূর্নীতি এবং দখল লুটপাটের রেকর্ড গড়েছে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার। নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত এই সরকার অনেক আগেই গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। ক্ষমতা পাঁকাপক্ত করতে এবার সরকার গনমাধ্যম এবং বিচার বিভাগে পূর্ণ-নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। সম্প্রচার নীতিমালা পরিবর্তন করে এবং বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদে আনার উদ্দেশ্য হচ্ছে বিচার বিভাগের উপর আওয়ামীলীগের পূর্ন-নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি আরো বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই আন্দোলনের। কথাটি সত্য নয়, সরকার র‌্যাব, পুলিশ এবং প্রশাসন ব্যবহার করে ক্ষমতায় ঠিকে রয়েছে। খুব শীগ্রই সরকার পতন আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামবে বিএনপি’সহ ২০ দলীয় জোট।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিং প্রু জেরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আসলাম চৌধুরী, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহাবুবুর রহমান শামীম, বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো: ওসমান গনি, যুগ্ন সম্পাদক মুজিবুর রশীদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক শাহাদাত হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দোলতুল কবির খান’সহ বিএনপি’সহ অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। এদিকে কর্মীসম্মেলন’কে ঘিরে সকাল থেকে জেলার সাত উপজেলা থেকে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পর্যটন মোটেলে ভীড় জমায়। এছাড়াও প্রধান অতিথি’কে জেলার প্রবেশমুখ সূয়ালক থেকে শতাধিক মোটর সাইকেল এবং গাড়ী বহরের শোভাযাত্রা নিয়ে বরণ করে আনা হয়