গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন অবান্তর

প্রকাশ:| বুধবার, ২৮ জুন , ২০১৭ সময় ০১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ডাঃ শাহাদাত
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, উন্নয়নের দোহায় দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বেশিদিন ঠিকতে পারবে না। গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন অবান্তর। উন্নয়নের নামে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে লুঠপাঠের রাজত্ব কায়েম করেছে। আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাচারিতা এদেশের জনগণ মেনে নিবে না। সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা না করলে বিএনপি রাজপথের আন্দোলনকে জোড়ালো করবে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে আ’লীগ আবারো ক্ষমতায় যাওয়ার কলকাঠি নাড়ছে। পছন্দের নির্বাচনী কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে সরকার ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়েছে। শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এদেশের জনগণ এবং বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলো আশা করছে। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখন জনগণের অধিকার ক্ষুন্ন হয়। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা ঢাকতে তারা জনগণের অধিকারকে কোন পাত্তাই দিচ্ছে না। ভোটাধিকার, গণতন্ত্র এবং অধিকার আদায়ে বিএনপি পিছ পা হবে না। তিনি নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে কোন সময় গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা এবং সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলনের ডাক দিবেন। নেতাকর্মীদের ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে আগামী দিনের আন্দোলনে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এবার রাজপথে জোড় লড়াই হবে। তিনি দুপুর ১২টা হইতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নগরীর রীমা কমিউনিটি সেন্টারে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত বিএনপি-নেতাকর্মী, পেশাজীবী ও সাংবাদিক সহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মানে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের ও আগাত অতিথিদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি নিজ হাতে অতিথিদের আপ্যায়ন করেন। ডাঃ শাহাদাত হোসেন এর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) হুরুল আমিন চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর আলম শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বক্কর, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র এনামুল হক এনাম, নাজমুল মোস্তফা আলিম, মোস্তাফিজুর রহমান, উত্তর জেলা বিএনপি’র এম.এ হালিম, নূর মোহাম্মদ, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, খুরশিদ জামাল চৌধুরী, নগর বিএনপি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম.এ আজিজ, কাজী বেলাল উদ্দিন, এস.এম সাইফুল, নুরুল উল্লা বাহার, মোহাম্মদ আলী, সবুক্তগীন ছিদ্দিক মক্কি, আবদুল মান্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, নুরুল আলম রাজু, সফিকুল আলম স্বপন, এম.এ হাসেম, জি.এম আইয়ুব খান, জয়নুল আবেদীন জিয়া, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান মঞ্জু খান, মহিলা দলের মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, সাবেক ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম, নগর ছাত্রদলের গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, বেলায়েত হোসেন বুলু, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, বিএনপি নেতা মো. সালাউদ্দিন, আলাউদ্দিন আলী নূর, খন্দকার নুরুল ইসলাম, হাজী নবাব খান, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, এম.আই চৌধুরী মামুন, এম.এ হালিম বাবলু, আবুল বশর, সাব্বির আহমদ, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, নূর হোসেন, খোরশেদ আলম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ইমরান, আতা উল্লাহ বাবু প্রমুখ।