খুটাখালীতে সীমানা বিরোধের জের ধরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

কলেজ ছাত্র
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও প্রতিনিধি:
সীমানা বিরোধের জের ধরে কলেজ ছাত্রকে দা হাতুড়ি দিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়ে মুখে মারাত্মক জখম করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় তাকে গলা চিপে ধরে লুট করা হয়েছে নগদ টাকাসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল। গত বুধবার বিকেলে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী দরগাহ পাড়ায় ঘটে এ ঘটনা। লোহার রড় দা হাতুড়ি দিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে কক্সবাজার সরকারী কলেজ ছাত্র মো: ছলিম উল্লাহ (২৭) কে। সে বর্ণিত ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া গ্রামের আবদুল মাবুদের পুত্র। গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজার সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় ৩ জনকে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার রাতে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। যার নং ১৯৬।
থানায় লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে কলেজ শিক্ষার্থী ছলিম উল্লাহ ক্রয়কৃত বসত ভিটায় ঘর নির্মাণ ও পায়খানার সেপ্টি টেংকের কাজ করছিলেন শ্রকিক দিয়ে। এসময় পাশ্ববর্তী বাচা মিয়া প্রকাশ বার্মাইয়া বাচা মিয়ার পুত্র আবদুল আজিজ তাকে কাজে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তর্কাতর্কির সুবাধে আবদুল আজিজ দা- হাতুড়ি নিয়ে মারতে আসে। তাকে প্রতিহত করতে চাইলে আবদুল আজিজের পিতা বাচা মিয়া ও তার স্ত্রী ছমুদা বেগম ছলিমকে গলা চাপিয়ে ধরে মাটিতে ফেলে দেয়। এ সুযোগে আজিজ ছলিমের ডান হাত হাতুড়ি দিয়ে মেরে ভেঙ্গে দেয়। বাচা মিয়া ছুরা দিয়ে ডান চোখে মারাত্মক আঘাত করে তার পকেট থেকে নগদ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি স্যামসাং মোবাইল সেট ছিনিয়ে নির্মানাধিন ঘরের মালামাল লুট করে। ছলিমের শোর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে রাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশংকা জনক বলে জানান।
এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ছলিম উল্লাহ বাদী হয়ে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে চকরিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এতে আসামীরা হলেন দরগাহ পাড়ার বাচা মিয়ার পুত্র আবদুল আজিজ (২৮), তার পিতা বাচা মিয়া (৫০) ও মা ছমুদা বেগম (৪০)। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান এজহার দায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান।


আরোও সংবাদ