খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে জড়ানোর জন্য গবেষণা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ

প্রকাশ:| সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ১১:২৩ অপরাহ্ণ

১০ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়ানোর জন্য গবেষণা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার চট্টগ্রাম নগর বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান এ অভিযোগ করেন।

গতকাল রোববার দুপুরে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের জবাব দিতে বিএনপির আজ এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলায় খালেদা ও তারেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন মহিউদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে নোমান বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ এনেছে। অথচ বিএনপির চেয়ারপারসনকে তাঁর বাড়ি থেকে এই সরকার উত্খাত করেছে। গুলশানের বাড়িতে বালুর বস্তা দিয়ে সব পথ বন্ধ করে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।

নোমানের অভিযোগ, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও ব্যাপকভাবে তথ্যানুসন্ধান করার হুমকি দিয়ে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা শুরু করেছে এই সরকার। আর ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলার রায়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বলেন, অস্ত্র আটক মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ন্যূনতম অভিযোগ পেলে এই সরকার কি তাঁকে ছাড়তেন? বরং অস্ত্র আটকের পর তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আইনগত সব ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। সিআইডি, পুলিশ দিয়ে ঘটনার তদন্ত করানো হয়েছে।

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা নিয়ে সরকার রাজনীতি করছে দাবি করে নোমান বলেন, ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে নিতে এখন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে টেনে আনার অপচেষ্টা হচ্ছে। ৫ শতাংশ জনগণের সমর্থনপুষ্ট এই সরকার যা ইচ্ছা তা করছে। ৯৫ শতাংশ জনগণের ওপর সব চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার। আমাকেও এখান থেকে সরকার গুম করে নিয়ে যেতে পারে। আমার লাশ না পেলে বিচারও পাওয়া যাবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে আসামিপক্ষের কৌঁসুলি কামরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে ফাঁসানোর জন্য পিপি কামালউদ্দিন ভারতকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে আসামিদের বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। কারণ, আসামিরা আগে থেকেই দাবি করে আসছিল, ভারতকে তুষ্ট করার জন্যই মামলাটি সাজানো হয়েছে।

মহানগর আদালতের সাবেক পিপি ও নগর বিএনপির নেতা আবদুস সাত্তার বলেন, সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার এই আদালতে হতে পারে না। তাঁরা অপরাধ করলে কোর্ট মার্শালে গোপন বিচার হবে। সরকার নিয়ম ভঙ্গ করে সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার করেছে।


আরোও সংবাদ