খালেদা জিয়ার প্রস্তাবনা সবার সঠিক পথে আসার সনদ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৮:৫৩ অপরাহ্ণ

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটি নিরপেক্ষ শক্তিশালী নির্বাচনের কমিশন গঠনে খালেদা জিয়ার ১৩ দফা প্রস্তাবনা চলমান সাংঘর্ষিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে  সনদ যা সবার সামনে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%a6%e0%a6%ab%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8dবৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘নির্বাচন কমিশন গঠন ও শক্তিশালীকরণ: বিএনপির প্রস্তাবাবলী’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশে সাংঘর্ষিক রাজনীতি চলছে উল্লেখ করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে আলোচনা-সমঝোতার কোন বিকল্প নেই।

এ প্রস্তাবনা কোন গোষ্ঠী বা দলকে মাথায় রেখে করা হয়নি জানিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, এই প্রস্তাবনাগুলো এমনভাবে তৈরি যেখানে একটি গ্রহণ করতে না পারলেও অন্যটি গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

নির্বাচনকে গণতন্ত্রের বাহন উল্লেখ করে তিন বলেন, এ প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। আমরা চাই এগুলো নিয়ে আলাপ হোক। কারণ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।

বাংলাদেশ থেকে নির্বাচন হারিয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ভোটাধিকারের কথা মানুষকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়ত এমন একটা সময় আসবে যখন মানুষ ভুলে যাবে তাদের এক সময় ভোটাধিকার বলে কিছু একটা ছিল।

পিআরও (রিপ্রেজেন্টেশন অব পিপল অর্ডার) থেকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বাদ দেওয়ার সমালোচনা করে আমীর খসরু বলেন, ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনীর হাতে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার না দিলে ভোট সুষ্ঠু হবে না।

সেনাবাহিনী বিভিন্ন দেশে সুনামের সাথে নির্বাচনসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে পারলে দেশের সংকটে তাদের দায়িত্ব দিতে আওয়ামী লীগের ভয় কোথায় সে প্রশ্ন সামনে এনে ভারতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ভারতের রাজ্য নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করে। ভারতে পারলে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী কেন পারবে না কেন।

অনুষ্ঠানে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন, খালেদা জিয়ার ১৩ দফা প্রস্তাবে কোথাও বিএনপি বা বিএনপি ঘরানার লোক রাখতে হবে সে কথা বলা হয়নি।

প্রবীন আইনজীবী কবীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে গোল টেবিল আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়াহিয়া আক্তার, নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


আরোও সংবাদ