খালেদার প্রচারণায় বড় কোনো সহিংসতা হয়নি

প্রকাশ:| বুধবার, ১০ জুন , ২০১৫ সময় ০৮:০৯ অপরাহ্ণ

সদ্য সমাপ্ত তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে খালেদা জিয়া প্রচারণা চালানোর সময় বড় কোন সহিংস ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরো দাবি করেন, সিটি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা- ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব দাবি করেন।

উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন হাজী মো. সেলিম। কিন্তু আওয়ামী লীগের সমর্থন না পাওয়ায় তিনি পরবর্তীতে সরে দাঁড়ান।

হাজী মো. সেলিম তার প্রশ্নে জানতে চান- ‘দেশের বিশিষ্টজনদের মতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা সত্ত্বেও কোনরূপ বিশৃঙ্খলা ছাড়া নির্বাচন কমিশন একটি সুন্দর, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে; দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনি বিষয়টি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?’

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সর্বশেষ তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৪৮ জন প্রার্থী অংশ নেন। এতে বিএনপিও অংশ নেয়। নির্বাচনের দিন (২৮ এপ্রিল) তারা পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। যদিও নির্বাচনের দিন প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কোন আইনগত সুযোগ নেই। বিএনপি শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা লুটার অজুহাত খুঁজতেই এ কাজ করেছে।’

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সংসদ নেতা বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক জোট নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় সুষ্ঠু নির্বাচন করা বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়ে। তারপরেও ৫ জানুয়ারি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এ নির্বাচনে দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল অনেক এবং আন্তর্জাতিক মহলেও আগ্রহ ছিল ব্যাপক। দশম সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের ৮ হাজার ৮৭৪ জন প্রতিনিধি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।’

মো. তাজুল ইসলামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তবে ভবিষ্যতে যাতে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে নির্বাচন করা যায় সে ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছি। এজন্য আইন সংশোধনের প্রয়োজন হবে।’