খালেদার কারামুক্তি দিবসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:০০ অপরাহ্ণ

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাদজুমা আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে এ মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
খালেদার কারামুক্তি দিবসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক জায়েদ বিন রশিদ।  এতে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. গিয়াস উদ্দীন সেলিম, দিদারুল আলম টিপু, আব্দুস সালাম, সরকারি কমার্স কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক আল মাহমুদ আবু ফরহাদ, ইফতেখারুল আলম সবুজ, প্রচার সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুর রহমান, ওসমান গণি মাসুম, মো. ছৈয়দুল আবরার খসরু, শাহ নেওয়াস কবির বাবু, চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রদল নেতা আহমদ রেজা হায়াত খান, মো. তানভীর আলম, মো. হাসান।

সভায় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের উত্তরণ ও জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আর বিএনপিকে ৩৩ বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসন অবসানে আপোষহীন ভূমিকা পালন করায় দেশবাসী তাকে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে আখ্যা দেন।

তারা বলেন, ২০০১-২০০৬ সময়ে তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা তার কাছ থেকে স্বার্থ আদায় করতে না পারার ফল হিসেবে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি সংবিধান বহিভূর্ত পন্থায় ক্ষমতা দখলকারীরা বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য আবারো নতুন খেলায় মেতে উঠেছিল। ওই বছরে তৎকালীন সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করেন। তাকে মাইনাস করার অপচেষ্টা চলানো হয়। কিন্তু জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ও আস্থা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কাছে ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায় এবং এক বছর পর তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। জনগণের মধ্যে ফিরে এসে জনগণের ভোটের অধিকার প্রশ্নে তিনি এখনো লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।

সভা শেষে মিলাদ মাহফিলে বিএনপি চেয়াপার্সনের দীর্ঘায়ু কামনা করে মুনাজাত করা হয়।