খালেদর মুক্তির দাবিতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয় আসতে হবে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৮ মে , ২০১৮ সময় ০৭:৩১ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিচার বিভাগ আজ শেখ হাসিনার কারাগারে বন্দী। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আইনের ইতিহাসে এ ধরনের কলঙ্কিত ইতিহাস আর কখনো সৃষ্টি হয়নি। এই সরকার আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, শাসন বিভাগ এবং মানবাধিকারকে চরমভাবে লঙ্ঘন ও কলঙ্কিত করেছে। আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার নেই, যার প্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশমাতা, বেগম খালেদা জিয়াকে উচ্চ আদালতে জামিন দেওয়ার পর ও সরকারের উচ্চ মহলের নির্দেশে আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করেছে। কোন দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম পরিপন্থী।
ডা.শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর মৌলিক অধিকার সুচিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে উচ্চ আদালত যে জামিন দিয়েছে তা বহাল রাখা এবং সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
ডা. শাহাদাত আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি মেরুদন্ডহীন কমিশন। গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখে সরকার বুঝতে পেরেয়ে যে দুই লক্ষ ভোটের ব্যবধানে হারবে। ফলে সরকারি কারসাজি মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন স্থগিত করেছে। মেরুদন্ডহীন নির্বাচন কমিশন সরকারের ইশারায় কাজ করছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের দাবি সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামাতে হবে। এছাড়া ও সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের স্বদইচ্ছা থাকলে জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়নে কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি আজ ৮ মে দুপুরে কোর্ট হিল চত্বরে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি মঞ্চ এর উদ্যোগে আয়োজিত সামাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট এম আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং এডভোকেট মোহাম্মদ রফিকুল হকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট তারিক আহমেদ, এডভোকেট এসএম আবুল হাসান, এডভোকেট আবদুল হালেক শাহাজান, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কমরুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, আরো উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, এডভোকেট এফ এ সেলিম, সাদেকুর রহমান রিপন, ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া, ফাউন্ডেশন নেতা এডভোকেট আলাউদ্দিন, বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি মঞ্চের অন্যতম সমন্বয়ক এডভোকেট দিদারুল আলম সুমন, এডভোকেট ফেরদৌসের মোরশেদ, এডভোকেট শাহাবুদ্দিন কুতুবী, এডভোকেট এম হাসানুল মিনার, এডভোকেট আবু নায়ের বিন হাসান, এডভোকেট হোসেন শিকদার, এডভোকেট এনাম, এডভোকেট তুহিন, এডভোকেট তৌফিক উদ্দিন, এডভোকেট মাশকুরা বেগম মেরী, এডভোকেট আশরাফী বিনতে মোতালেব, এডভোকেট লাভলী, এডভোকেট জাহিদ হোসেন, এডভোকেট আবুল মনসুর শিকদার, এডভোকেট মাঈনুদ্দীন, এডভোকেট মুরাদ, এডভোকেট ইয়াসিন, এডভোকেট সালাউদ্দিন তুষার, আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলমগীর, এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন বাবু, এডভোকেট জুনাইদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।